
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির বন্ধুত্ব রীতিমতো চর্চার বিষয় সোশাল মিডিয়ায়। এই বন্ধুত্বের এক গালভরা নামও রয়েছে, তা হল, মেলোডি। সোশাল মিডিয়ায় দু’জনকে নিয়ে চর্চার মাঝেই সামনে এল এক মজার তথ্য।
ভারতের মাটিতে মেলোনির জনপ্রিয়তা দেখে রসিকতার ছলে তাঁকে নয়াদিল্লিতে ভোটে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন ইতালির উপ-প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি।ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির উপর লেখা বই, জর্জিয়াজ ভিশন-এ ২০২৩ সালে তাঁর ভারত সফরের উল্লেখ রয়েছে। এই সফরে মেলোনিকে বিশেষভাবে অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল দিল্লিতে। নয়াদিল্লির রাস্তা জুড়ে মেলোনির ছবি ও স্বাগতম লেখা বড় বড় পোস্টার সাঁটানো হয়েছিল। শুধু তাই নয়, ভারত সফর সেরে ফেরার সময়েও গোটা দিল্লি ছেয়ে গিয়েছিল পোস্টারে। যেখানে লেখা ছিল, ভারতে আসার জন্য ধন্যবাদ। মেলোনির জন্য মোদি সরকারের এমন বিশেষ অভ্যর্থনার বহর দেখে রসিকতা করতে ছাড়েননি ইতালির উপ-প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি। মেলোনির বয়ান অনুযায়ী, তাজানি রসিকতা করে তাঁকে বলেন, এত পোস্টার দেখে মনে হচ্ছে, আপনি যদি নয়াদিল্লি আসনে নির্বাচন লড়তেন তবে লক্ষ লক্ষ ভোট পেতেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মোদি-মেলোনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর নেট দুনিয়ায় চর্চিত এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান। এরপর থেকে দফায় দফায় ভাইরাল হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ভিডিও। ২০২৪ সালে সোশাল মিডিয়ায় এক ভিডিও পোস্ট করে, মেলোডি শব্দটির উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
এরপর থেকে বিভিন্ন বিশ্বমঞ্চে দুই রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতি, তাঁদের আলাপচারিতা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। এদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদির এবং প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সুসম্পর্ক ওয়াকিবহল মহলে ক্রমশ চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। ইটালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার সেলফিতে ধরা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁদের এই ফ্রেম সমাজমাধ্যমে, মেলোডি নামে পরিচিত। মাসখানেক আগে সেই মেলোডি চর্চা নতুন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে। সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন মোদি-মেলোনি।
