
এই যাত্রায় ছ’দিনের বিদেশ সফরে পঞ্চম তথা শেষ গন্তব্যে,ইউরোপের দেশ ইটালিতে গিয়ে অভূতপূর্ব অভ্যর্থনা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় একাধিক ক্ষেত্র নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।
সই হয়েছে কয়েকটি চুক্তি। প্রধানমন্ত্রী মেলোনিকে দেওয়া মোদীর উপহারের নাম বিভ্রাটে চকিত-উত্থানের সাক্ষী হয়েছে শেয়ার বাজার। এর পাশাপাশি, মোদীর দেশের প্রত্যাবর্তনের ঠিক আগেই বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর গদ্দার-মন্তব্যের জেরে ঘরোয়া রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। এর আগে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ঘুরে ইটালিতে পৌঁছোন মোদী। তাঁর বিমান রোমে অবতরণ করার পরেই এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, এই সফরের মূল লক্ষ্য হবে ভারত-ইটালি সহযোগিতা কী ভাবে বৃদ্ধি করা যায়। চলতি বছরের শুরুতেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এক বাণিজ্যচুক্তি করেছে ভারত। এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, আমেরিকার উপর ভারতের নির্ভরতা কমানো। সেই চুক্তি স্বাক্ষরের পর এটাই ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম ইউরোপ সফর। এর আগে ২০২৪ সালের জুনে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ইটালিতে গিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে রোমের ভিলা ডোরিয়া পামফিলিতে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। সেখানেই হয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। সাক্ষাৎপর্বে মেলোনিকে ,পার্লে মেলোডি চকোলেট উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
ইটালির প্রধানমন্ত্রী সেই উপহারের ১২ সেকেন্ডের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন,রোমে স্বাগত, আমার বন্ধু! এর পরেই হইচই পড়ে যায় মুম্বইয়ের দালাল স্ট্রিটে। অন্যদিকে, মোদীর চকোলেট-কাণ্ডকে কটাক্ষ করে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এক্স পোস্টে লিখেছেন, আমাদের মাথার উপর দিকে অর্থনৈতিক ঝড় বয়ে যাচ্ছে, আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী ইটালিতে গিয়ে চকোলেট বিলি করছেন। কৃষক, যুবসমাজ, মহিলা, শ্রমিক, ছোট ব্যবসায়ী-সকলের চোখেই জল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হাসছেন, হাসিমুখে রিল বানাচ্ছেন। আর তা দেখে শুধু বিজেপির লোকেরা হাততালি দিচ্ছে। কোনও নেতৃত্ব নয়, এটি প্রহসন।








