কানাডাকে উড়িয়ে কোয়ার্টারে মরক্কো

0
27
ছবি সৌজন্যে : এক্স

প্রথমার্ধের ডেডলক ভেঙে দ্বিতীয়ার্ধেই আসল রূপ দেখাল মরক্কো। প্রথম ৪৫ মিনিট কানাডার ইস্পাতকঠিন রক্ষণ আর বিপজ্জনক কাউন্টার অ্যাটাক অ্যাটলাস লায়নদের কিছুটা বাধা দিলেও, বিরতির পর চেনা ছন্দে ফিরল আশরাফ হাকিমিরা।

শেষ পর্যন্ত কানাডাকে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম দেশ হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল আফ্রিকার শক্তি,মরক্কো।অথচ নকআউটের প্রথম এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের প্রথমার্ধে কেউ কাউকে এক চুলও ছাড় দেয়নি। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে লড়াই জমলেও প্রথমার্ধ শেষ হয়েছিল গোলশূন্য সমতায়। প্রথম ৪৫ মিনিটের চিত্র বলছিল, বল দখলে মরক্কো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও মাঠের আসল ধারটা দেখিয়েছিল কানাডাই।বিরতি থেকে ফিরেই যেন ম্যাচের পুরো চিত্রনাট্য বদলে দেয় মরক্কো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই, ম্যাচের ৫০ মিনিটে দেখা গেল দারুণ এক ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস।ডান প্রান্তে পাওয়া এক ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি শট না নিয়ে আশরাফ হাকিমি আলতো করে বল বাড়িয়ে দেন বক্সের কাছাকাছি ওত পেতে থাকা আজ্জেদিন উনাহির দিকে। কানাডার রক্ষণভাগ কিছু বুঝে ওঠার আগেই উনাহির নেওয়া চমৎকার এক মাটি কামড়ানো শট সরাসরি জড়ায় জালে, আর তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মরক্কো।খেলার শেষ দিকে যখন গোল শোধ করতে মরিয়া কানাডা অলআউট আক্রমণে মেতেছিল, ঠিক তখনই আবার গোল করেন উনাহি।

৮২ মিনিটে দলকে ২-০ তে এগিয়ে দেন তিনি।এরপর ম্যাচের একদম শেষ দিকে স্বাগতিকদের কফিনে অন্তিম পেরেকটি পুঁতে দেন সুফিয়ান রাহিমি। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে দারুণ এক ক্লিনিক্যাল ফিনিশিংয়ে কানাডার জাল কাঁপান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩ গোলের বিশাল ও দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মরক্কো।