
২০২২ কাতার বিশ্বকাপ থেকেই নিজেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো। তার অসাধারণ দক্ষতা যে কতটা কার্যকর, তা আবারও প্রমাণ হলো আরেকটি ফল নির্ধারণী ম্যাচে।
টাইব্রেকারে বুনোর দারুণ দুটি সেভের ওপর ভর করে শক্তিশালী নাইজেরিয়াকে হারিয়েছে মরক্কো। নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ড্রয়ের পর পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৪-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ,আফকন ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে উত্তর আফ্রিকার দলটি। মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে সমান তালে লড়েছে দুই দলই। তবে আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের। রাবাতের প্রিন্স মৌলাই আবদেল্লাহ স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছেন ৬৫ হাজার ৪৫৮ জন দর্শক। যেখানে ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচটি ০-০ স্কোর নিয়ে সমতায় ছিল। এরপর পেনাল্টি শ্যুটআউটে নাইজেরিয়ার গোলরক্ষক স্ট্যানলি নওয়াবালি একটি শট ঠেকালেও বুনোর বীরত্বের সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি তিনি। মরক্কোর পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেছেন ইয়ুসেফ এন-নেসিরি।ম্যাচের শুরুতেই বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে মরক্কো। তবে ইসমাইল সাইবারির প্রায় নিশ্চিত গোল ব্লকে আটকে দেন নাইজেরিয়ার ডিফেন্ডার সেমি আজাই। এছাড়া, ব্রাহিম দিয়াজের একটি শট পোস্ট ঘেঁষে চলে যায়।পেনাল্টি বক্সের বাইরে কৌশলী ফাউল করায় বাসিকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। যার জন্য নাইজেরিয়া ফাইনালে উঠলে তিনি নিষিদ্ধ হতেন।তবে এখন তাকে কেবল কাসাব্লাঙ্কায় মিশরের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী নিয়মরক্ষার ম্যাচে বসে থাকতে হবে।
নাইজেরিয়ার একমাত্র অন-টার্গেট শটটি নেন আদেমোলা লুকম্যান, তবে সেটি বুনোর জন্য অতটা কঠিন ছিল না। সুপার ঈগলসদের কাছ থেকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখা যায়নি।উল্লেখ্য,গোলের জন্য মরিয়া উভয় দলই সুযোগ পেয়েছিল, বিশেষ করে মরক্কো। সুযোগ হাতছাড়া করেছেন দিয়াজ, আয়ুব এল কাবি ও আশারাফ হাকিমিরা। তাদের ঠেকিয়ে দিয়ে নাইজেরিয়া শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি টাইব্রেকারে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
