
মুখ্যমন্ত্রী কি আন্দোলনের সীমারেখা জানেন? চাকরি ফেরত পাওয়া নিয়ে কার উপর তাঁরা ভরসা করবেন? উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আন্দোলনের লক্ষণরেখা মন্তব্য প্রসঙ্গে এরকমই একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন বিকাশ ভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
তাঁদের বক্তব্য, সরকারি চাকরি করতেন তারা, কিন্তু সরকারের ভুলে তাদের চাকরিহারা হতে হয়েছে এবং এই বিষয়ে সরকারের তরফে তারা কোনওরকমেও কোনও সাহায্য পাচ্ছেন না। এমনকি কোর্টেও গেছেন তাঁরা, কিন্তু সেখানেও কোনও সদ্যুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই এখন এই আন্দোলন ছাড়া আর কারওর ওপরে তাঁদের ভরসা কিংবা বিশ্বাস কোনোটাই নেই। আন্দোলনকারী শিক্ষকের মন্তব্য, তাঁদের আন্দোলনের ফলে যদি সত্যি কারোর অসুবিধা হয়ে থাকে সেই বিষয়ে তাদেরকে জানালেই হতো, সেক্ষেত্রে ততক্ষনাৎ সমস্যার সমাধান করে দেওয়া যেত। কিন্তু তা না করে যে ভাবে রাজনীতি করে বিষয়টাকে নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে তা বোধগম্য হচ্ছে না।একইসঙ্গে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকেও আন্দোলনের জেরে আটকে রাখা হয়নি বলে দাবি করেছেন তারা।
চাকরিহারাদের আরও দাবি, প্রথম থেকেই বলা হয়েছিল বিকাশ ভবনের ভিতর আধিকারিকরা থাকুক, আর তাঁরা বাইরে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। একইসঙ্গে খাবার থেকে শুরু করে কোনোরকমের ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় জিনিস আটকানো হয়নি।






