
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন, তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা।তাদের কারো সনদ বাতিল করা হয়নি।
এর আগে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামানসহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চার শতাধিক রাজনীতিবিদের ,এমএনএ-এমপিএ মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে বলে খবর প্রকাশ হয়।মূলত মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন তাদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।এ বিষয়ে উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে যারা ছিলেন এবং ওই সরকার দ্বারা যারা স্বীকৃত, তারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বিবেচিত হবেন। তিনি বলেছেন, মুজিবনগর সরকারে শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মনসুর আলী, এএইচএম কামরুজ্জামান, খন্দকার মোশতাক ছিলেন-তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তাদের কারো সনদ বাতিল করা হয়নি।অন্যদিকে মুজিবনগর সরকার গঠনে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন, তাঁরা হবেন মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী।জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল,জামুকা অধ্যাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধার এই সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করে বলা হয়,বঙ্গবন্ধু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ-সহ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী চারশোর উপর রাজনীতিবিদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিলের প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তা গুরত্ব দিয়ে ছাপা ও প্রচার করা হয়।
যা নিয়ে বাংলাদেশে এবং বিদেশেও প্রচুর বিতর্ক শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত ঝড় বয়ে যায়। তারপরেই বুধবার সকালে অবস্থান স্পষ্ট করে বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার।





