
চলতি মরসুমে তৃতীয়বার প্লাবিত হলো ঘাটাল। গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা তিনদিন বৃষ্টি এবং বিভিন্ন জলাধার থেকে কয়েকলক্ষ কিউসেক জল ছাড়ার জন্য পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল মহকুমার ১০টি অঞ্চল এবং ১৩টি ওয়ার্ড পুরোপুরি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
শিলাবতী, রূপনারায়ণ, ওল্ড কাঁসাই-এর জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এনডিআরএফ, এসডিআরএফ সহ মোকাবিলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। শনিবার থেকে টানা বৃষ্টিতে বন্যার ভ্রুকটি চন্দ্রকোণাতেও। ঘাটালের মহকুমাশাসক বলেছেন চন্দ্রকোণার কেঠিয়া নদীতেও জল বাড়ছে। শীলাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে চন্দ্রকোণাতে জল ঢুকতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, পুরুলিয়ায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির জেরে এবার বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর জলাধার থেকে ১০ হাজার কিউসেক থেকে বাড়িয়ে ২৭হাজার ৫০০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর ফলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। কংসাবতী নদীর ওপর থাকা মুকুটমণিপুর জলাধারে মূলত জল আসে কংসাবতী ও কুমারী নদী দিয়ে। এমনিতেই মুকুটমণিপুর জলাধারে সর্বোচ্চ জলধারণ ক্ষমতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪৩৪ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত।
কিন্তু দুই নদী দিয়ে জলাধারে বিপুল জল আসতে থাকায় মঙ্গলবার জলাধারে জলস্তরের উচ্চতা ৪৩৬ ফুটেরও বেশি ছুঁয়ে যায়। জলাধারের চাপ কমাতে তড়িঘড়ি জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেচ দফতর।









