
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে ১০ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছে ইডি। ইডির আবেদনের বিরোধিতা করেছেন সুজিতের আইনজীবী।
দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর সুজিতের ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আদালতে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তদন্তে যা যা উঠে এসেছে, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সুজিতকে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে পাঠানো হোক। এ ছাড়াও ইডির আইনজীবীর বক্তব্য, প্রাক্তন মন্ত্রী হিসাবে তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন সুজিত। ইডির আশঙ্কা, তথ্যপ্রমাণ নষ্টেরও চেষ্টা হতে পারে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে ইডি। ইডির আরও দাবি, সুজিত এবং তাঁর পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে কোটি কোটি টাকা ডিপোজিটের হিসাবও মিলেছে। কিন্তু অন্তত ৮ কোটি টাকার সম্পত্তির হিসাব দেখাতে পারেননি বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক। পাল্টা সুজিতের আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জামিনের আবেদন করতে গিয়ে দাবি করেন, ইডি যে নথির উপর ভিত্তি করে সুজিতকে গ্রেফতার করেছে, সেই সব নথি ২০২২-‘২৩ সালের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে।
এত দিন পর কেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে ইডি? সুজিতের আইনজীবীর দাবি, তদন্তের স্বার্থে নয়, গ্রেফতারের নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে।






