গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

30 C
Kolkata
30 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle ঠাণ্ডা-গরম খেলেই দাঁতে শিরশির

    ঠাণ্ডা-গরম খেলেই দাঁতে শিরশির

    0
    51
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    বর্তমানে দাঁতের বেশকিছু সমস্যা, যেমন সেন্সিটিভিটি, এনামেলের স্তরে ক্ষয় বা দাঁত ও মাড়ি দুর্বল হয়ে পড়ার মতো সমস্যা খুবই সাধারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    আগে যেসব সমস্যা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ত, তা এখন তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও যেন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়াচ্ছে।এই সমস্যার জন্য যেমন দায়ী মুখের স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা, তেমন আছে প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস। প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার দাঁতের। যেমন,ভুল পদ্ধতিতে ব্রাশ করা।অনেকে মনে করেন জোরে ব্রাশ করলে দাঁত বেশি পরিষ্কার হয়। কিন্তু বাস্তবে এমন করে ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। দাঁতকে সব রকম আঘাত, ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই স্তর। একবার নষ্ট হয়ে গেলে তা পুনরায় তৈরি হয় না।জোরে দাঁত মাজলে বা প্রতিদিন মাংসের হাড় চিবিয়ে খাওয়ার মতো অভ্যাস থাকলে এই স্তর ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ফলে ঠাণ্ডা বা গরম কিছু খেতে গেলেই শিরশিরানি অনুভব হয়। তাই দাঁত মাজার সময় খুব চাপ দেবেন না। নরম ব্রিসেলের টুথব্রাশ ব্যবহার করাই ভালো।ওদিকে,সোডা, এনার্জি ড্রিংক, লেবুর রস, ফলের রস, চা–কফি ও মিষ্টিজাতীয় খাবার নিয়মিত অতিরিক্ত খেলে দাঁতের এনামেল অ্যাসিডের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েএমন অ্যাসিড মুখের মধ্যে অ্যাসিডিক পরিবেশ তৈরি করে, যা ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে।এনামেল ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। তাই এমন পানীয় খাওয়ার পর মুখ ধুয়ে নেওয়া বা স্ট্র ব্যবহার করা ভালো। স্ট্র ব্যবহার করলে দাঁতের সঙ্গে এমন পানীয়ের সংস্পর্শ কম হবে।অন্যদিকে,নিয়মিত জল পান না করলে লালারস উৎপাদন কমে যায়।লালা আমাদের মুখের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা কবচ। এটি অ্যাসিডিক প্রভাব কমিয়ে এনামেলকে মজবুত করতে সাহায্য করে। ডিহাইড্রেশনের ফলে লালা কম উৎপাদন হলে মুখে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়, এনামেল স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ওদিকে,সাদা ঝকঝকে দাঁত সবার পছন্দ। তার জন্য অনেকেই হোয়াইটনিং ট্রিটমেন্ট করান। আবার অনেকেই বাড়িতে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচলিত লেবু, বেকিং সোডা বা অ্যাক্টিভেটেড চারকোলের মতো উপাদান ব্যবহার হোয়াইটনিং ট্রিটমেন্ট করেন। এতে সাময়িক ভাবে দাঁত একটু উজ্জ্বল মনে হলেও,এগুলো আসলে অ্যাব্রেসিভ বা অ্যাসিডিক। ফলে এনামেল দ্রুত ক্ষয়ে যায়, দাঁত আরো সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো হালকা ফ্লুরাইডযুক্ত পেস্ট বা পেশাদার হোয়াইটেনিং চিকিৎসায় ভরসা রাখাই ভালো।অনেক টুথপেস্ট শুধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করা বা দাঁতের সাদা ভাব বজায় রাখার কথা বলে।

    কিন্তু এগুলো কোনোটাই দাঁতের এনামেল স্তরের রক্ষার কথা বলে না। তাই বাজার চলতি সাধারণ টুথপেস্টের পরিবর্তে এনামেল-প্রোটেকটিং টুথপেস্ট ব্যবহার করা ভালো।