
মায়ানমারে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। এ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত দু হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যার মধ্যে মান্দালয়ের কাছে একটি প্রাক-বিদ্যালয়ে ৫০ শিশু নিহত হয়েছে।
এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন এমন এক সময়ে করা হয়েছে,যখন সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মানুষ খাদ্য, জল ও আশ্রয়ের অভাবে ভুগছে। এর আগে,গত শুক্রবার দুপুরের দিকে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী।এটি প্রাচীন প্যাগোডা ও আধুনিক ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে।মায়ানমারের সামরিক নেতা সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং মঙ্গলবার এক টেলিভিশন ভাষণে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দু; হাজার ৭১৯ জনে পৌঁছেছে এবং এই সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত চার হাজার ৫২১ জন আহত ও ৪৪১ জন নিখোঁজ রয়েছে। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী থাইল্যান্ডে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছে। মায়ানমারের কেন্দ্রে অবস্থিত মান্দালয় শহরের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে একটি স্কাই ভিলা অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের সামনে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে সাইরেন বাজিয়ে লোকজনকে দাঁড়িয়ে যেতে বলা হয়,যা ছিল ভূমিকম্প আঘাত হানার সুনির্দিষ্ট সময়।
সেখানে উদ্ধারকর্মীরা থেমে গিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেছেন।একটি রেসকিউ টেন্টের পাশে বাঁশের খুঁটিতে মায়ানমারের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উড়ছিল, আর কর্মকর্তারা ঘিরে রাখা এলাকার ভেতর দাঁড়িয়ে দেখেছেন,আর স্বজনরা একটু দূরে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
