
নরেন্দ্রপুরে বাবা-মা-মেয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে দেবু নামে এক যুবকের কথা উল্লেখ রয়েছে। এলাকার যুবক দেবু জমি-বাড়ির দালালি করেন।পরিবারের অভিযোগ দেবু তাদের ঋণে ডুবিয়েছেন।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দেবু। স্থানীয় কাউন্সিলর জানিয়েছেন পরিবারটি ৫ লাখ টাকার প্রতারণার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। নরেন্দ্রপুরের লস্করপুরের বাড়ি থেকে বছর ৬৩-র দীপক রায়, বছর ৫৫-র স্ত্রী জলি রায় এবং ২৩ বছরের মেয়ে দিশারীকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা। জানা যায় আর্থিক অনটনে ছিল পরিবারটি। এজন্য দিশারীর পড়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা, বাবা এবং মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে তিনজনে বেশি মাত্রায় ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন। দিশারীর হাতে শিরা কাটা ছিল। সুইসাইড নোটে যে ব্যক্তির উল্লেখ রয়েছে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।








