
অন্তিম,কিসি কি ভাই কিসি কি জান একেবারেই চলেনি। টাইগার থ্রি-ও প্রত্যাশা পূরণ করেনি। এই অবস্থায় সিকন্দর ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছিলেন ফ্যান ফলোয়াররা। কিন্তু এই ছবিও ব্যবসা দিতে পারেনি।স্বাভাবিক ভাবেই সলমন খানকে ঘিরে বাড়ছে হতাশা।
কিন্তু সিকন্দর-এর ব্যর্থতার জন্য একা ভাইজান’কে কাঠগড়ায় তোলাটা মানতে পারছেন না নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। কিক, বজরঙ্গি ভাইজান-এ সলমনের সহ-অভিনেতা পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নওয়াজ। আর সেখানেই সিকন্দর-এর ব্যর্থতায় সলমন-ফ্যানদের হতাশা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছেন, ঠিক আছে, একটা সিনেমা না হয় চলেনি। কিন্তু সলমনের কী সব ছবি আছে।সেই জন্যই তো সলমন সুপারস্টার। এমনও সব ছবি উনি করেছেন যেগুলো আহামরি কিছু নয়।তবু ওঁর উপস্থিতির কারণেই সেগুলো বিপুল হিট। নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি সিকন্দর দেখেন নি।কাজেই ছবিটা সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না। কিন্তু সুপারস্টারের ক্ষমতা থাকে সাধারণ ছবিকেও বড় হিটে পর্যবসিত করার।ভাইজান যদি কোনও ছবি করতে সম্মত হন,তাহলে পরিচালকেরও দায় থাকে। কেননা তাঁর হাতে সলমনের ফ্যান বেস রয়েছে। সেটা মাথায় রাখাটা ওঁর বিরাট দায়িত্ব।কেবল ভাইজানের দিকে আঙুল তোলা ঠিক নয়। পরিচালকদেরও খাটতে হবে। তাঁরা সলমনকে পেয়েছেন,তাহলে বাকি জিনিসগুলোও ঠিক করে দিতে হবে। পরিচালক ও নির্মাতারা সেটা দিতে ব্যর্থ হলে সুপারস্টারের দিকে আঙুল তোলাটা ঠিক নয়। প্রসঙ্গত, সিকন্দর ছবির বাজেট ছিল ২০০ কোটি টাকা।ওয়েবসাইটের দাবি অনুযায়ী, দেশে ছবিটির গ্রস কালেকশন ১৫৩ কোটির মতো। দেশের বাইরে ৫৮ কোটি। সব মিলিয়ে ছবিটির গ্রস ২১১.৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ কোনওমতে ছবি তৈরির টাকাটুকুই উঠেছে।
এরপর স্যাটেলাইট রাইট ইত্যাদিতে হয়তো আরও কিছু রোজগার হবে। কিন্তু সলমনের মতো মহাতারকার ছবির এহেন পরিস্থিতি তাঁর ফ্যান ফলোয়ারদের কাছে কাম্য নয়। প্রিয় নায়কের পরপর ব্যর্থতায় তাঁরা হতাশ। এই পরিস্থিতিতে সলমনের পাশে দাঁড়ালেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।








