
প্রধানমন্ত্রী ওলি পদত্যাগ করতেই আনুষ্ঠানিক ভাবে নেপালের দায়িত্ব নিয়েছে সেদেশের সেনাবাহিনী। বিবৃতি দিরে জানানো হয়েছে যত দিন পর্যন্ত না নতুন সরকার গঠিত হচ্ছে, ততদিন দেশের শাসনভার চালাবে তারা। শুধু তাই নয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশ জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে সেনার তরফে।
নেপালের রাস্তায় রাস্তায় টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। নেপাল সরকারের প্রধান সচিবালয় ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সেনাবাহিনী। দেশে লুটপাট চালাতে, ভাঙচুর কড়লে কড়া পদক্ষেপ করা হবে এমনটাই জানিয়েছে সেদেশের সেনাবাহিনী। দেশের নাগরিকদেরও সহযোগিতা চেয়েছে তারা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নেপালের বাঁকে জেলার সংশোধনাগারের সংঘর্ষে পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ছাত্র-যুব আন্দোলনে সোমবার এবং মঙ্গলবার দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল নেপালে। কাঠমান্ডু থেকে বিদ্রোহের সূত্রপাত হলেও ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে নেপাল জুড়ে। হাজার হাজার বিদ্রোহী নেমে পড়েন রাস্তায়। হাতে প্ল্যাকার্ড, মখে স্লোগান। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভের আগুনে আঁচে পুড়তে থাকে নেপালের পার্লামেন্ট ভবন, ওলি এবং তাঁর মন্ত্রীদের বাসভবন। সে দেশের সুপ্রিম কোর্টেও আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবর মিলেছিল।





