
প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে কেপি শর্মা ওলির পর এবার ইস্তফা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল। ফলে সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে নেপালে।
দেশজুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদতপুষ্ট ছাত্র-যুঙদের তাণ্ডবে তিতিবিরক্ত হয়ে ইস্তফা দিয়েছেন প্রবীন রাজনেতা পৌডেল। তবে ইস্তফার আগেই তাঁর বাসভবনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। শুধু তাই নয়, বাসভবনে ব্যাপক লুটপাট চালানোর পাশাপাশি আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধের প্রতিবাদে সোমবার থেকে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে নেপাল। সংসদ ভবনে হামলার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান ২১-র বিক্ষোভকারীরা। তাতে পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর দায় নিয়ে ইস্তফা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। তাতেও শান্ত হননি বিক্ষোভকারীরা। প্রচণ্ড চাপের মুখে রাতেই থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তাতেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং মঙ্গলবার সকাল থেকে বিক্ষোভের আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ে। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল, প্রধানমন্ত্রী ওলি সহ একাধিক মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালানোর পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় উপপ্রধানমন্ত্রী বিষ্ণুপ্রসাদ পৌডেলকে।
উন্মত্ত জনতার হাত থেকে রেহাই পাননি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা নেপালি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা শের বাহাদুর দেউবা ও প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী আরজু দেউবা। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
