
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার একটি প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং শিগগিরই এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে আলাপের সময় এ কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।চুক্তির কিছু বিষয় সামনে এনেছেন মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্তারা।এদিকে, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার এ চুক্তি এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি রাজনৈতিক দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।এটি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের তিনটি মূল স্তম্ভকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং তাকে এক নতুন নিরাপত্তা সংকটে ফেলেছে। প্রশ্ন উঠেছে, যিনি নিজেকে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে তুলে ধরেছিলেন এবং মার্কিন রাজনীতিবিদদের ওপর যার শক্ত প্রভাব ছিল,কীভাবে তাকে পাশ কাটিয়ে তার প্রধান মার্কিন মিত্র ইরান চুক্তি করলেন, এবং কীভাবে তিনি এভাবে প্রকাশ্যে অপমানিত হলেন? প্রশ্ন উঠেছে,যিনি ইরানকে মোকাবেলার বিষয়টিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা পরিকল্পনার কেন্দ্রে রেখেছিলেন, তিনি কীভাবে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন,যেখানে ইরানই বরং যুদ্ধের আগের চেয়েও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে?তাছাড়া, লেবাননে হেজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করার জন্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের দাবি এখন ইসরায়েলের মিস্টার সিকিউরিটি হিসেবে পরিচিত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলে দিয়েছে, বিশেষ করে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে।
নেতানিয়াহুর সামনে এখন কোনো ভালো বিকল্প নেই।
