
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন নেইমার। ম্যাচ শেষে আবেগঘন কণ্ঠে ব্রাজিলিয়ান তারকা বলেছেন, চেষ্টা করেছেন। নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছেন।
এই মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল, আর এখানেই শেষ হলো। এখন সব শেষ।এই কথার মধ্য দিয়েই ব্রাজিলের জার্সিতে নিজের অধ্যায়ের শেষ টেনে দিলেন নেইমার। দীর্ঘদিন ধরে চোট, ফিটনেস সমস্যা এবং প্রত্যাশার ভার সামলে জাতীয় দলের হয়ে লড়েছেন তিনি।কখনো জাদুকরী ড্রিবল, কখনো গোল, কখনো অ্যাসিস্ট…ব্রাজিলের আক্রমণে বছরের পর বছর তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বড় ভরসার নাম।ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের পথচলা ছিল আলো-ছায়ায় ভরা। একদিকে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত, অন্যদিকে বড় মঞ্চে অপূর্ণতার আক্ষেপ। সমর্থকদের ভালোবাসা যেমন পেয়েছেন,তেমনি প্রত্যাশার চাপও বহন করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়। জাতীয় দলের জার্সিতে নেইমার ছিলেন ব্রাজিলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকাদের একজন। তার পায়ে ছিল সৃজনশীলতা, গতির সঙ্গে ছিল কৌশল,আর ছিল ম্যাচের চেহারা বদলে দেওয়ার সামর্থ্য। সেলেসাওদের হয়ে বহু ম্যাচে তিনি একাই হয়ে উঠেছেন পার্থক্য গড়ে দেওয়া ফুটবলার।
তবে ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে চোট যেন বারবার থামিয়ে দিয়েছে তাকে। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর আবার জাতীয় দলে ফিরেছিলেন নেইমার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তই নিলেন নেইমার।








