টুইটারে নিষেধাজ্ঞা তুলল নাইজেরিয়া

0
12

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে নাইজেরিয়া। প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদি বুহারি’র টুইটার পোস্ট ডিলিট করার পরপরই নিজ ভূখণ্ডে টুইটার সার্ভিস বন্ধ রেখেছিল নাইজেরিয়ার সরকার।

গত বছরের জুন মাসের এক টুইটে আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শাস্তি দেওয়ার কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট বুহারি।ওই টুইট মুছে দিয়েছিল টুইটার।এরপর সামাজিক মাধ্যমটি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পক্ষ নিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলে নাইজেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।তবে, নাইজেরিয়ায় স্থানীয় দপ্তর খোলাসহ বেশ কিছু শর্তে টুইটার রাজি হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার হচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও ভিপিএন বা,ভার্চুয়াল প্রাইভেসি নেটওয়ার্ক-এর মাধ্যমে নাইজেরিয়ার নাগরিকদের অনেকেই মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মটির ব্যবহার অব্যাহত রেখেছিলেন।টুইট করলে ওই ভিপিএন ইউজার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর উপর শাস্তিমূলক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছিল নাইজেরিয়া সরকার। সরকার হঠাৎ মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দাবিতে নাইজেরিয়ার নাগরিকরা সোচ্চার হয়েছিলেন।অন্যদিকে, নাইজেরিয়ায় রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে টুইটার দেশটির বাজারের প্রতি যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ,তার প্রমাণ মিললো।নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর স্থানীয় ইন্টারনেট সেবাদাতাদের প্ল্যাটফর্মটি ব্লক করে রাখতে বলেছিল নাইজেরিয়া সরকার। উল্লেখ্য,১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধ চলেছে নাইজেরিয়ায়। গত বছরের মে মাসে প্রেসিডেন্ট বুহারি ওই গৃহযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে টুইট করেছিলেন,আজও যারা বিরূপ আচারণ করছে,তাদের সঙ্গে এমন ভাষায় কথা বলতে হবে যা ,তারা বোঝে।নাইজেরিয়ার নাগরিকদের মধ্যে টুইটারের আলাদা জনপ্রিয়তা আছে।