
সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছে, বিধানসভায় গান স্যালুট দেওয়ার কথা রাজ্য সরকারের তরফে বলা হলেও দস্তুর হল, গান স্যালুটের পর আর কোনও কর্মসূচি রাখা যায় না। এক্ষেত্রে বিধানসভা থেকে দেহ আলিমুদ্দিনে নিয়ে যাওয়া হবে। যাত্রা শেষ হবে এনআরএস হাসপাতালে।
সেখানে তো কোনও ভাবে গান স্যালুট দেওয়া যায় না। সেই কারণেই সরকারের প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে।সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবিন দেব বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী কথা বলেছিলেন। বিধানসভার স্পিকারেরও কথা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে গান স্যালুট দেওয়া যায় না। কারণ, গান স্যালুট একেবারে লাস্ট স্টেজ। সেটার পর আর কিছু করা যায় না। বিধানসভা,আলিমুদ্দিন স্ট্রিট, সেখানে তিন ঘণ্টা দেহ থাকবে। তার পর একটা মিছিল হবে। দীনেশ মজুমদার ভবনে, যেখানে যুব ফেডারেশনের অফিস, সেখানে যাবে দেহ। তার পর এনআরএসে বডি দান করা হবে। আর এনআরএসে তো গান স্যালুট দেওয়ার কোনও প্রভিশন নেই।জ্যোতি বসু অবশ্য গান স্যালুট পেয়েছিলেন। ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে লাল পতাকায় ছেয়ে যাওয়া রেড রোডে জ্যোতিবাবুর মরদেহ জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গান স্যালুট দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম নেতৃত্বের বক্তব্য, জ্যোতিবাবুকে গান স্যালুট দেওয়ার পর সেখান থেকে মরদেহ সোজা এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গান স্যালুটের পর আর কোনও কর্মসূচি ছিল না। বুদ্ধদেবের ক্ষেত্রে তেমনটা হচ্ছে না বলেই গান স্যালুটে না বলা হয়েছে।








