
পদক্ষেপের কথা নয়, সকলকে দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। আর জি কর-কাণ্ডের আবহে এক্স পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্যে করে এমনই মন্তব্য করেছেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল।
গুজরাট-মধ্যপ্রদেশের মতন বিজেপি শাসিত রাজ্যে ধর্ষণের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয় এক্স পোস্টে এমনটাই লিখে ভূপেন্দ্র প্যাটেলের মন্তব্য, মমতা দিদি ধর্ষণ রোধ ও মহিলাদের সুরক্ষায় শুধু পদক্ষেপের কথা নয়, মানুষ চায় সরকার পদক্ষেপ করুক। মহিলাদের সুরক্ষার জন্য পকসো ও অন্যান্য কড়া আইন রয়েছে, কিন্তু কতটা কার্যকর হবে, সেটা সেই রাজ্যের পুলিশের দ্রুত ও সঠিক পদক্ষপের ওপর নির্ভর করে। মহিলাদের সুরক্ষা মৌলিক অধিকার, কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়। জরুরি ভিত্তিতে, স্বচ্ছভাবে, দায়িত্ব সহকারে জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল। আর দেরি নয়, কোনও অজুহাত নয়, দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। এদিকে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দুর্নীতি এবং আর জি কর-কাণ্ডে দ্রুত বিচার চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাকে চিঠি দিয়েছেন, পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জোতির্ময় সিং মাহাতো। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকারের আমলে স্বাস্থ্য দফতরের পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে, সেখানে ছত্রে ছত্রে দুর্নীতি সংগঠিত হচ্ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব জেনেও এই দুর্নীতিকে প্রশয় দিচ্ছে। জোতির্ময়-র আরও অভিযোগ, রাজ্যে নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যখনই কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তে নেমেছে, তখনই সেই সমস্ত নেতা-মন্ত্রীরা শরীর খারাপের অজুহাতে সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএম-এর উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যায়। এই ধরণের ঘটনা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যা রাজ্যের মান নষ্ট করে। একইভাবে সাম্প্রতিককালে আর জি কর-এ তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় স্বাস্থ্য দফতরের কঙ্কালসার রূপ প্রকাশ্যে এসেছে।যেখানে নিজের কর্মস্থলেই সুরক্ষিত নন একজন চিকিৎসক। পাশাপাশি এই ঘটনার তথ্য প্রমান লোপাটের অভিযোগ তুলে, এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন পুরুলিয়ার সাংসদ জোতির্ময় সিং মাহাতো।
