
জম্মু-কাশ্মীরে ভোটগণনার আগেই বিধানসভায় পাঁচ সদস্যের মনোনয়ন দিয়ে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার তীব্র বিরোধিতা করেছে কংগ্রেস।
জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯-এ করা সংশোধনী অনুসারে বিধানসভায় পাঁচজন মনোনীত সদস্য থাকবেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পরামর্শে নামগুলিতে অনুমোদন দেবেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর। ২০২৩-এর ২৬ জুলাইয়ের ওই সংশোধন অনুসারে মনোনীত সদস্য-সহ বিধানসভায় মোট সদস্য সংখ্যা হবে ৯৫। কোনও পক্ষকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে তাদের সঙ্গে ৪৮ জন সদস্য থাকতে হবে। জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনের অধীনে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে কাশ্মীরি পণ্ডিত এবং পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর থেকে উদ্বাস্তুদের প্রতিনিধিত্ব-সহ পাঁচজন সদস্যকে মনোনীত করার ক্ষমতা রয়েছে। সেই ক্ষমতাবলেই পাঁচজন প্রতিনিধিকে মনোনয়ন দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীর প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রবিন্দর শর্মা বলেছেন, তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরে সরকার গঠনের আগে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পাঁচজন বিধায়কের মনোনয়নের বিরোধিতা করেছেন। এই ধরনের যে কোনও পদক্ষেপ গণতন্ত্র, জনগণের রায় এবং সংবিধানের মৌলিক নীতির ওপর আঘাত।









