
অবিরাম বৃষ্টি ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত উত্তর সিকিম। শনিবারই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে শুরু করে তিস্তা। রবিবার জলস্তর আরও বেড়েছে। রবিবার সকালে চুংথাং বাঁধ প্রকল্পের মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি ভেসে গিয়েছে। তিস্তার জলোচ্ছ্বাসে পাথর ও কংক্রিট ধসে ফিডাং বেইলি ব্রিজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেই বিদ্যুৎ, পানীয় জল। বিভিন্ন সড়ক অবরুদ্ধ হওয়ায় খাবারের সমস্যাও বাড়ছে।
উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত দেড় হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন। সিকিম প্রশাসনের তরফে পর্যটকদের হোটেলে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাস্তা খুলে গেলে তাঁদের গ্যাংটকে নামিয়ে আনা হবে। মঙ্গনের পুলিশ সুপার সোনম দেচচু ভুটিয়া বলেছেন, অবিরাম বৃষ্টিপাতের জেরে ভূমিধসে প্রধান সড়ক অবরুদ্ধ হয়েছে। লাচেনে ১১৫ জন এবং লাচুংয়ে ১ হাজার ৩৫০ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।
ভূমিধসের জন্য উভয় দিক থেকে বেরনোর পথ অবরুদ্ধ।বৃহস্পতিবার রাতে লাচেন-লাচুং মহাসড়কের মুনসিথাংয়ের কাছে পর্যটকবোঝাই গাড়ি হাজার ফুট গভীর খাদে পড়ে তিস্তায় গড়িয়ে গেলে একজনের মৃত্যু হয়। দুজনকে উদ্ধার করা হলেও এখনও আটজন নিখোঁজ।






