
গুজরাটের বানাসকাঁঠা জেলায় প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এক তরুণী।
কিন্তু বাড়ির আপত্তি ছিল প্রবল। শেষমেষ সেই প্রেমই হয়ে উঠল তাঁর মৃত্যুর কারণ। প্রেমিককে পাঠানো আতঙ্ক-ভরা শেষ মেসেজের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মিলেছে তাঁর দেহ। প্রথমে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হলেও, পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে শ্বাসরোধ করে খুনের ঘটনা। অভিযোগের আঙুল উঠেছে তরুণীর বাবা ও কাকার দিকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত তরুণীর নাম চন্দ্রিকা চৌধুরি। তাঁর প্রেমিক হরিশ চৌধুরির সঙ্গে সম্পর্ক মানতে নারাজ ছিলেন পরিবারের লোকজন। তাঁরা চাইছিলেন চন্দ্রিকার বিয়ে অন্যত্র দিতে। কিন্তু মেয়েটি সেই বিয়েতে রাজি ছিল না। তাঁকে পরিবারের লোকজন মেরে দিতে পারে, একথা আগেই প্রেমিককে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই আশংকাই সত্যি হল। প্রযুক্তিগত তথ্য, পরিস্থিতিগত প্রমাণ এবং বয়ান বিশ্লেষণ করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, এটি একটি পরিকল্পিত ও সাজানো খুন। থানারদ থানায় খুনের মামলা দায়ের হয়।
চন্দ্রিকার কাকা-সহ দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাবা এখনও পলাতক।








