
দেহের অতিরিক্ত ওজনের যন্ত্রণায় ভোগেন মোটামুটি সবাই।আবার দেখা যায় অনেক চেষ্টার পরও ওজন কমাতে পারছেন না, তার জন্য পরিকল্পনার প্রয়োজন।
কারণ হঠাৎ করে ওজন কমানোর প্রবণতা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।আবার একই ধরনের ডায়েট বা শরীরচর্চা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন প্রভাব ফেলতে পারে।এখন প্রশ্ন হলো ওজন কমানো মানেই কি ফিট থাকা? ফিটনেস প্রশিক্ষকদের মতে, ফিটনেসের একটা অংশ ওজন নিয়ন্ত্রণ।কারণ, দেহের বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারলে তা ব্যক্তির মনের জোর বৃদ্ধি করে। ভুলভাবে শরীরচর্চা করলে পেশির ঘনত্ব কমতে পারে।ত্বকও নরম হয়ে যেতে পারে।শরীরচর্চা করার সময়ে অনেকেই অতিরিক্ত কার্ডিয়োর ওপর জোর দেন।কিন্তু সেই অনুপাতে দেহে প্রোটিনের ঘাটতি দেখা দিলে পেশির ঘনত্ব কমতে শুরু করে। তখন অভিযোগ ওঠে, শরীরচর্চা করেও সুঠাম দেহ তৈরি হচ্ছে না। কারণ প্রয়োজনীয় প্রোটিন ছাড়া দেহ অতিরিক্ত পরিমাণে শক্তি ফ্যাট আকারে সঞ্চয় করে রাখে।সেজন্যে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মেদ ঝরানো এবং পেশির ঘনত্ব বৃদ্ধি—এই দুটো দিকেই সমান তালে নজর রাখা উচিত।অন্যথায় লক্ষ্যপূরণ করা কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে শরীরচর্চা, সুষম আহার ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে সুফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।
সুঠাম শরীর তৈরির ফলে দেহের বিএমআর অর্থাৎ বেসার মেটাবলিক রেট এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে সার্বিকভাবে সুস্থ থাকা আরো সহজ হয়।








