সর্ষের তেল না, অলিভ অয়েল

0
24
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল 

সবাই বলেন শরীর সুস্থ রাখতে, বিশেষ করে হার্টের যত্ন নিতে সঠিক রান্নার তেল বাছাই করা অত্যন্ত জরুরি। কোলেস্টেরল বাড়লে অনেকেই শুধু রান্নার তেলের পরিমাণ কমিয়ে দেন, কিন্তু সঠিক তেল বেছে না নিলে তাতেও খুব একটা লাভ হয় না।

যেমন এক সময় বাঙালির রান্নাঘরে কেবল সর্ষের তেলের চল থাকলেও, এখন অনেকেই রিফাইন্ড সাদা তেলের ক্ষতি এড়াতে অলিভ অয়েল ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য সর্ষের তেল নাকি অলিভ অয়েল—কোনটি বেশি ভালো, তা নির্ভর করে রান্নার ধরন এবং ফ্যাটের গুনাগুণের ওপর।চিকিৎসকদের মতে, সব ফ্যাট শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। রান্নার তেলে ট্রান্স ফ্যাট বা স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকা জরুরি।এই ভালো উপাদানগুলো অলিভ অয়েল ও সর্ষের তেল,উভয়ের মধ্যেই সমানভাবে বিদ্যমান। অলিভ অয়েলে থাকা পলিফেনল নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালিতে চর্বি জমতে দেয় না। তবে অলিভ অয়েলের স্মোক পয়েন্ট কম হওয়ায় এটি উচ্চ আঁচে রান্না বা ভাজাভুজির উপযোগী নয়, কারণ বেশি গরমে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়।অন্যদিকে, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে পূর্ণ সরিষার তেল উচ্চ আঁচে রান্নার জন্য একদম আদর্শ।ওদিকে,বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সব ধরনের ভাজাভুজি বা কষানো রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করা নিরাপদ।

তবে স্বাস্থ্যকর হলেও সর্ষের তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিমাণের দিকে বিশেষ নজর রাখা উচিত। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, একদম যৎসামান্য বা পরিমিত সর্ষের তেল দিয়ে দৈনন্দিন রান্না করতে পারলে তা অলিভ অয়েলের মতোই হার্টের জন্য সমান স্বাস্থ্যকর হতে পারে।