
পুরীর রত্ন ভাণ্ডারের গোপন কুঠুরিতে কী আছে, তা নিয়ে আষাঢ়ে গল্প প্রচার বন্ধ করতে জগন্নাথ-ভক্তদের আকুল অনুরোধ করেছেন প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ।দ্বিতীয়বার টানা সাড়ে সাত ঘণ্টা ধরে ভিতর ভাণ্ডারের সম্পদ স্থানান্তরিত করার কাজ সেরে সহযোগীদের সঙ্গে তিনি শ্রী মন্দিরের বাইরে এসেছেন।
তার আগে দিনভর রত্ন ভাণ্ডারের অজানা অদেখা আশ্চর্য সম্পদ নিয়ে প্রবীণ সেবায়েতদেরই বিচিত্র জল্পনা চলছিল শ্রীক্ষেত্রে। এরপরই বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ নিজে এসে বলেছেন, রত্ন ভাণ্ডার নিয়ে মনগড়া গল্পকথা ছড়াবেন না।তারা শুধু সিন্দুক খুলতে ইলেকট্রিক কাটার ব্যবহার করেছেন। আর কারও সাহায্য ছাড়াই ভিতর ভাণ্ডার খালি করার কাজ সম্পূর্ণ করেছেন।তিনটে কাঠের আলমারি, দুটো লোহার সিন্দুক, একটি স্টিলের আলমারি, দুটো কাঠের সিন্দুক ভিতর ভাণ্ডারে ছিল। ভিতরের সব সামগ্রী যথাযথ ভাবে সুরক্ষার সঙ্গে উপযুক্ত বাক্স, আলমারিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। শ্রীমন্দিরের খটসাজ ঘরে অস্থায়ী রত্নভান্ডারে সব সরানো হয়েছে। চাবি পুরীর কালেক্টরের কাছে রাখা হয়েছে।মন্দিরের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য দয়িতাপতি দুর্গা দাস মহাপাত্র বলেছেন, সব অলঙ্কার ছোট ছোট বাক্সে রাখা ছিল। এসওপি মেনে কোনও বাক্স খুলে দেখা যায়নি। বাক্সগুলি গুনে গুনে ভিডিয়োগ্রাফি করে সরানো হয়।
