
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর ধ্যানধারণা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কেরলের কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর।তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আবার পণ্ডিত বলে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন শশীকে।
দু দিন আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বাংলাদেশে রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিসেনা পাঠানোর জন্য কেন্দ্র আর্জি জানাক বলে প্রস্তাব দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরেই সংসদ চত্বরে শশী তারুর প্রসঙ্গে বলেছেন, তিনি ঠিক জানেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিসেনার ভূমিকার বিষয়টি পুরোপুরি বোঝেন কি না। উল্লেখ্য শশী তারুর বহু বছর রাষ্ট্রপুঞ্জের শান্তিসেনায় কাজ করেছেন। তাঁর কথায়, সংশ্লিষ্ট দেশ নিজে না-চাইলে খুব কম ক্ষেত্রেই কোনও দেশের ভিতরে শান্তিসেনা যায়। এর পাল্টা হিসাবে তিরুঅনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা বলেছেন, শশী তারুর তো অনেক বড় পণ্ডিত। তা শশী তারুর, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে কটাক্ষ না-করে শান্তিপ্রতিষ্ঠার ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছেন না কেন? এদিকে একই দিনে সংসদের ভিতরে বাইরে অন্তত তিনটি ঘটনা বিরোধী জোট ইন্ডিয়া’র দুই শরিক দল কংগ্রেস এবং তৃণমূলের মধ্যে দূরত্ব বৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব রেখে এখন চলছে সমাজবাদী পার্টি,এসপি-ও।
সংসদ চত্বরে আদানিদের ঘুষকাণ্ডের প্রতিবাদে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কংগ্রেস এবং বিরোধী জোটের কিছু ছোট শরিক দলের সাংসদেরা। কিন্তু কর্মসূচিতে যোগ ছিল না তৃণমূল কংগ্রেস এবং এসপি। আম আদমি পার্টি বা,আপ-এরও কাউকে দেখা যায়নি।
