
নোরা ফতেহি, সঞ্জয় দত্ত অভিনীত কন্নড় ছবি, কেডি দ্য ডেভিল-এর আইটেম গান নিয়ে তোলপাড় নেটভুবন, আপত্তি উঠেছে সারকে চুনার তেরি সারকে গানের কথা নিয়ে। শ্রোতামহলের একাংশের অভিযোগ, অশ্লীল-চটুল শব্দে ঠাসা এই গানের লিরিকস।
আর সেই প্রেক্ষিতেই ওই কন্নড় সিনে নির্মাতাদের আপাতত বেধড়ক কটাক্ষবাণে বিদ্ধ হতে হচ্ছে। আপত্তি তুলে নোটিস ধরিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও। পহেলে উঠালে,আন্দার ভো ডালে, কেডি দ্য ডেভিল-এর আইটেম গানে এহেন অশ্লীল শব্দ নিয়েই বিতর্কের ঝড়।কুরুচিকর দ্বৈত অর্থের কথায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গায়ক আরমান মালিকও। একাংশ আবার গানের লিরিকসের পাশাপাশি বলিউডের বোল্ড বিউটি নোরা ফতেহির নাচের চটুল অঙ্গভঙ্গি নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এহেন গানের শব্দ এবং অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি ভারতীয় সংস্কৃতিকে কলুষিত করছে। একাংশ আবার আবর্জনা বলেও কটাক্ষ করলেন নোরা-সঞ্জয়ের আইটেম গানকে। এদিকে ক দিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল কেডি দ্য ডেভিল-এর সারকে চুনার তেরি সারকে গানটি। আর মুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিতর্কের শিরোনামে নাম লেখায় এই গান। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিন্দার ঝড় উঠতেই ইউটিউব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ওই আইটেম গান। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য প্রিয়াঙ্ক কানুনগো, নোরা-সঞ্জয়ের আইটেম গানের বিষয়বস্তুর তীব্র নিন্দা করে প্রশ্ন তুলেছেন,কোন সভ্য মানুষ তাঁর পরিবারের সঙ্গে বসে এই গানটি দেখতে পারবেন? বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে ক্ষোভপ্রকাশ করে কন্নড় সিনেনির্মাতাদের ইতিমধ্যেই আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন তিনি।
পরিচালক ওনিরও আপত্তি তুলে কলম ধরেছেন সোশাল মিডিয়ায়। সেন্সর বোর্ডকে কাঠগড়ায় তুলে তাঁর মন্তব্য, আমরা ক্রমশ এক অদ্ভুত দেশে পরিণত হচ্ছি। যেখানে ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন কিংবা ভিন্ন ধর্মের মানুষের বিয়ে বা উৎসব পালনের বিরোধিতা করা হয়, অথচ এই ধরনের আবর্জনা বা অশালীন বিষয়গুলো দিব্যি মেনে নেওয়া হয়। আর এদিকে সেন্সর বোর্ড পড়ে আছে ঘুষখোর পণ্ডিত সিনেমার নাম নিয়ে। উল্লেখ্য, কেডি দ্য ডেভিল-এর এই আইটেম গানের কথা লিখে আপাতত বেজায় কটাক্ষ, সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে রাকিব আলমকে।








