
নওদার সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতি বয়কট করেছেন তৃণমূলের নির্বাচিত সদস্যরা। যারফলে সপ্তাহের প্রথম দিনেই পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির অফিস কার্যত জনমানব শূন্য।
এরফলে প্রয়োজনীয় কাজে এসে ফিরে গিয়েছেন অনেকেই। দিন কয়েক ধরেই নওদা নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক সাহিনা মমতাজ খান বনাম ব্লক সভাপতির তরজা তুঙ্গে ওঠায় সরগরম এলাকা। নওদা ব্লক অফিসে সরকারী কর্মীকে মারধরের অভিযোগে নওদা পঞ্চায়তে সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ তমাল শেখকে গ্রেফতারের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা। গণইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। সোমবার সেই মতো জনপ্রতিনিধিরা দ্বারস্থ হন ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ। লিখিত ভাবে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়া হয়।কেন সরে দাঁড়ালেন গণ ইস্তফা প্রসঙ্গে প্রশাসনের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগড়ে দেন ব্লক সভাপতি।
উল্লেখ্য, রবিবারই নওদায় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মিটিং করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সফিউজ্জামান শেখ।








