গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

31 C
Kolkata
31 C
Kolkata
More
    Home Technology পৃথিবীকে বাঁচাতে সমুদ্রে পরমাণু বিস্ফোরণ

    পৃথিবীকে বাঁচাতে সমুদ্রে পরমাণু বিস্ফোরণ

    0
    207
    ছবি সৌজন্যে : এক্স

    সমুদ্রের গভীরে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিস্ফোরণ,এর মাধ্যমে উড়িয়ে দেওয়া যাবে কার্বন-শোষণকারী শিলা।পৃথিবীকে বাঁচাতে সেটাই নাকি একান্ত ভাবে প্রয়োজন,এমনই বিস্ফোরক পরামর্শ দিয়েছেন অ্যান্ডি হ্যাভার্লি। তাঁর গবেষণা-তত্ত্ব ,আরএক্সআইভি নামে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হতেই দুনিয়া জুড়ে হইচই শুরু হয়েছে। বছর ২৫-এর অ্যান্ডি পেশায় সফ্‌টঅয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

    তিনি বহুজাতিক মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থা মাইক্রোসফ্‌টে কর্মরত।তাঁর দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান হুমকির দ্রুত সমাধান না হলে পৃথিবীর অবস্থা ভয়াবহ হবে। আর সেই কারণেই সমুদ্রতলে বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বোমাটি ফাটানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।কী ভাবে এই আণবিক বিস্ফোরণ ঘটাতে হবে, নিজের গবেষণাপত্রে তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন সফ্‌টঅয়্যার ই়ঞ্জিনিয়ার অ্যান্ডি। সেখানে তিনি বলেছেন, সমুদ্রতলে বিস্ফোরণের জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গাটি ঠিক ভাবে শনাক্ত করতে হবে। তবেই আমরা পরমাণু বোমার ধ্বংসক্ষমতা এবং আণবিক বিকিরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। পাশাপাশি, বাতাসের কার্বন স্তরকেও অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।অ্যান্ডির গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি বছর ৩৬ গিগাটন কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়।৮১ গিগাটনের পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থার ওই সফট্অয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর দাবি,সব কিছু ঠিক থাকলে ৩০ বছরের জন্য কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমন আটকে ফেলতে পারবেন বিজ্ঞানীরা। কোল্ড ওয়ারের সময়ে ৫০ মেগাটনের জ়ার বোমা’র সফল পরীক্ষা চালায় রাশিয়া তথা তৎকালীন সোভিয়েত সরকার। সালটা ছিল ১৯৬১। বোমাটির ধ্বংসক্ষমতা দেখে ওই সময় শিউরে ওঠে গোটা দুনিয়া। সমুদ্রের তলদেশে,জ়ার বোমা’র চেয়ে হাজার গুণ বড় পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটানোর কথা নিজের গবেষণাপত্রে লিখেছেন অ্যান্ডি।উল্লেখ্য,পরমাণু বোমার জনক হলেন জার্মান-ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী রবার্ট ওপেনহাইমার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে আমেরিকার জন্য আণবিক বোমা তৈরি করেন তিনি।আমেরিকার ওই গবেষণার প্রকল্পের নাম ছিল ,ম্যানহাটন প্রজেক্ট।

    ওপেনহাইমার ছিলেন তাঁর অধিকর্তা বা ডিরেক্টর।১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই আমেরিকার নিউ মেক্সিকোর জর্নাডা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে পরমাণু বোমার প্রথম সফল পরীক্ষা করেন এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীরা।গোটা বিষয়টির তত্ত্বাবধানে ছিলেন ওপেনহাইমার।এর এক মাসের মাথায় ৬ এবং ৯ অগস্ট জাপানের হিরোসিমা এবং নাগাসাকিতে আণবিক হামলা করে আমেরিকা। ধুলোয় মিশে যায় জাপানের ওই দুই শহর।