
পরিবারের দাবি মেনেই মৃত্যুর ৭২ ঘণ্টা পর কল্যাণী এইমসে নার্সের ময়নাতদন্ত হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়েই মেয়ের মৃত্যুর তদন্তে সিবিআইয়ের দাবি তুলেছেন মৃতার বাবা।
তিনি অভিযোগ করেছেন বুধবার মেয়ের মৃত্যুর পর থেকে ধোঁয়াশা রেখেছে পুলিশ। শনিবার সকালে গ্রিন করিডর করে কলকাতা থেকে কল্যাণী এইমসে দিপালী জানার দেহ নিয়ে যাওয়ার পর ১০ টা থেকে শুরু হয় ময়নাতদন্ত। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ৩ ঘণ্টা চলে পুরো প্রক্রিয়া। করা হয় ভিডিওগ্রাফি। কল্যাণী এইমসের অটোপসি সার্জেনদের টিম ময়নাতদন্ত করেছেন। কল্যাণী এইমসে পরিবারের পাশে ছিলেন দুই বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ এবং অম্বিকা রায়। এরপর গ্রিন করিডর করে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় দিপালী জানার নন্দীগ্রামের বাড়িতে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় নার্সিংহোমের মালিক ও দিপালীর এক বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতাল থেকে কলকাতা মেডিক্যালে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ আনা হয়। পুলিশের বিরুদ্ধে জোর করে দেহ আনার অভিযোগ করে পরিবার।
যদিও কেন্দ্রীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্তে অনড় ছিল পরিবার। দেহ কার দখলে থাকবে তা নিয়ে বিজেপি, সিপিএমের মধ্যে হাতাহাতিও হয়।
