গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

31 C
Kolkata
31 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle কোন রোগে কোন ফল

    কোন রোগে কোন ফল

    0
    77
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    এই পৃথিবীতে অনেক রোগ রয়েছে, এর মধ্যে কিছু রোগ খুবই মারাত্মক ও প্রাণঘাতী, আবার কিছু দ্রুত নিরাময়যোগ্য।কে কখন কোন রোগে আক্রান্ত হবে,তা বলা যায় না।অনেক সময় যারা দেখতে সুন্দর ও সুস্থ, তারাও হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে মারা যান।এমন পরিস্থিতিতে এই রোগগুলো থেকে দূরে থাকার জন্য আপনার জীবনযাত্রাকে স্বাস্থ্যকর করে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    এর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে হবে।আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু রোগ এড়াতে কিছু ফল খাওয়া খুবই উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। এই ফলগুলো রোগগুলোর জন্য সুপারফুড হিসেবে কাজ করে।তাই কোন ফল কোন রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করতে পারে,জেনে নেওয়াটা ভালো।যেমন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে তার বেরি খাওয়া উচিত। এই ফলের গ্লাইসেমিক সূচক কম।বেরি কার্বোহাইড্রেটকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে। অন্যদিকে,তরমুজে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে, যা জলশূন্যতা রোধ করতে সাহায্য করে। তরমুজে সিট্রুলাইন নামক একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীরে আর্জিনিনে রূপান্তরিত হয়। তারপর এটি নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে। নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীগুলোকে শিথিল করে, যার ফলে রক্ত প্রবাহ উন্নত হয় এবং রক্তচাপ কমায়।ওদিকে,আপেলকে সুপারফুড বলা হয়, কারণ আপেল হার্টের জন্য উপকারী এবং এতে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল থাকে।এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।আবার,থাইরয়েড রোগীদের নারকেল খাওয়া উচিত।সেটা কাঁচা নারকেল হোক বা নারকেল তেল। এটি ধীর বিপাক উন্নত করে। নারকেল এমসিএফএ এবং এমটিসি নামক দুটি উপাদান থাকে, যা বিপাক উন্নত করতে সাহায্য করে।পাশাপাশি আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ত্বক ও চুলের জন্যও স্বাস্থ্যকর।এছাড়া আনারসে ব্রোমেলেন থাকে, যা প্রদাহ-বিরোধী ও মিউকোলাইটিক। এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসে কোনো সমস্যা হয় না। কাশি হলে আনারসও খেতে পারেন।উল্টোদিকে,অনেক মহিলা রক্তাল্পতায় ভোগেন।এমন পরিস্থিতিতে ডালিম খাওয়া উচিত, কারণ এতে আয়রন ও ভিটামিন সি রয়েছে। এটি আয়রনের শোষণ বাড়ায়।তাছাড়া পেঁপেতে উচ্চ ফাইবার ও পাপাইন এনজাইম থাকে, যা হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে পেঁপে ও ফাইবার সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত।অন্যদিকে,ডুমুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, বিশেষ করে আয়রন, জিঙ্ক ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে এই ফলে। এগুলো সুস্থ ডিম্বাণু ও শুক্রাণু উৎপাদনে সহায়তা করে। বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় ভুগছেন এমন মহিলা ও পুরুষদের ডুমুর খাওয়া উচিত।আবার,স্থূলতার সমস্যায় ভুগলে সাইট্রাস ফল খাওয়া উচিত। এতে উচ্চ ফাইবার থাকে। এ ছাড়া এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা বিপাক উন্নত করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এগুলো পরোক্ষভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    এর বাইরে,পেয়ারার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য আইবিএসে সাহায্য করে, অন্যদিকে অ্যাসিডিটিতে কলা খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় হয়।