শীতে খসখসে ত্বকে তেল 

0
149

শীত প্রায় এসে গেছে। এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতা অন্যান্য ঋতুর তুলনায় অনেক বেশি থাকে।

যার ফলে ত্বক ও চুল রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে পড়ে। তার সঙ্গে উজ্জ্বলতা হারায় এবং দেখা দেয় ত্বক ফাটার সমস্যাও।এমতাবস্থায় ত্বকের যত্নে নানা ধরনের নামিদামি বডি লোশন ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তা কি সত্যিই এই সমস্যা রুখতে পারে? অনেকেই এর উত্তর না দিয়ে থাকেন। তবে এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে তেল। শীতকালে বডি লোশন ২-৩ বার ব্যবহার করেও ত্বকের সমস্যা মেটাতে পারে না।এমন পরিস্থিতিতে কিছু তেল সমস্যা মেটাবে। এসব তেল ব্যবহারে ত্বকের শুষ্কতা তো কমবেই, সঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল ও নরম করে তুলবে। শুধু তাই নয়, চুলকানির সমস্যাও অনেকটাই কমিয়ে দেবে এসব তেল।যেমন,শীতকালে ত্বকে নারকেল তেল লাগানো ভীষণ উপকারী।আসলে নারকেল তেল ত্বকে গভীর আর্দ্রতা প্রদান করে। সঙ্গেই ত্বককে নরম করে তোলে। এতে থাকা অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলো ত্বককে নানাধরণের সংক্রমণের সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়।অলিভ অয়েলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বককে গভীর আর্দ্রতা প্রদান করার পাশাপাশি ত্বককে বাহ্যিক ক্ষতি থেকেও রক্ষা করে।এর ফলে শীতেও ত্বকে শুষ্কতার সমস্যা দেখা যায় না।জোজোবা তেল ত্বকে খুব দ্রুত শোষিত হয়। এটি ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখে। এই তেলের ব্যবহারে ত্বক নরম ও উজ্জ্বল হয়।পাশাপাশি,বাদাম তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে সকলেই কমবেশি জানেন। এটি ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। বাদাম তেল ভিটামিন ই সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ত্বককে নরম করে। সঙ্গে জ্বালা ও প্রদাহের মতো সমস্যা কমায়।সেইসঙ্গে শীতকালে তিলের তেল ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। এটি ত্বকে উষ্ণতা প্রদান করার সঙ্গে ত্বককে শুষ্ক হতে দেয় না।

এটি বিশেষত ড্রাই স্কিনের জন্য বেশি উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বককে সুস্থ রাখে।

 

ছবি  সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্ত্বমূলক