ওজন ঝরাতে রোজ ট্রেডমিলে ?

0
249
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল

সাধারণতঃ শরীর সু্স্থ রাখতে হাঁটহাঁটি করা জরুরি, এ কথা বলেন চিকিৎসকেরাই। খোলা হাওয়ায় বেশ কিছু ক্ষণ হাঁটলে, মনমেজাজ ভাল থাকে।উদ্বেগ কমে। ঘাম বেশি ঝরে।

শুধু ওজন কমাতেই নয়, হার্ট থেকে শুরু করে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতেই সাহায্য করে হাঁটাহাঁটি। অনেকেই বলেন, দিনে ১০ হাজার কদম হাঁটা খুব জরুরি। তবে অনেকের কাছেই হাঁটার সময় থাকে না। কেউ আবার অভিযোগ করেন, তাঁদের বাড়ির আশপাশে হাঁটার মতো তেমন জায়গা নেই। এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হল, সেই সব ক্ষেত্রে কি ট্রেডমিলে ভরসা করা যেতে পারে? ট্রেডমিলে হাঁটার বেশ কিছু সুবিধা আছে, তবে সকলের জন্য ট্রেডমিল নয়।প্রথমত স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমাতে ট্রেডমিলের সেশন সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে কাজে দেয়। হার্টরেট নিয়ন্ত্রণ করে, বিপাকক্রিয়া বাড়ে। তাই হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। ক্যালোরি ঝরে, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। হাড় ও পেশি শক্তিশালী হয়। শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ক্ষেত্রে হাঁটতে গেলে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল হতে হয় না। যখন তখন নিজের সুবিধা অনুযায়ী হাঁটা যায়।এবার প্রশ্ন হলো কোন কোন অসুখ থাকলে ট্রেডমিলে হাঁটার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে? উত্তর হলো, গুরুতর হৃদ্‌রোগ থাকলে।রক্তচাপ বেশি থাকলে। কোমর বা হাঁটুর ব্যথায় ভুগলে বা অস্টিয়োপোরোসিস থাকলে। ভার্টিগো, পারকিনসন্স ডিজি়জ় বা অন্য কোনও ভারসাম্যজনিত অসুখ থাকলে।সম্প্রতি কোনও অস্ত্রোপচার হলে।অর্থাৎ ট্রেডমিলে হাঁটতে হবে, তবে নিয়ম মেনে।সেইসঙ্গে, হাঁটার আগে ওয়ার্মআপ জরুরি।শুরুতে ধীর গতিতে হাঁটতে হবে। হাঁটার জন্য আরামদায়ক জুতো ব্যবহার করতে হবে।

শরীর সোজা রেখে হাঁটতে হবে। হাঁটার সময় মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। হার্ট বা কিডনির রোগ না থাকলে পর্যাপ্ত মাত্রায় জল খেতে হবে। কোনও রকম শারীরিক অস্বস্তি হলেই ট্রেডমিল থেকে নেমে পড়তে হবে।