
পারিশ্রমিক একজন অভিনেতার দর্শকপ্রিয়তা ও সিনেমার সাফল্যর উপরেই নির্ভর করে। বিশেষ করে হলিউডের মতো বিশাল ইন্ডাস্ট্রিতে। কিন্তু গত পাঁচ বছরে বক্স অফিসকে একটিও হিট সিনেমা না দিয়েও এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেতা অ্যাডাম স্যান্ডলার।
হলিউডের সব থেকে বেশি পারিশ্রমিক প্রাপ্ত এই অভিনেতা ৯০ এবং পরের দশকের সব থেকে জনপ্রিয় কমেডিয়ান হিসেবে পরিচিত। ২০২৩ সালে তিনি ৭৩ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করেছেন।২০২৩ সালে অ্যাডামের ৪টি সিনেমা মুক্তি পায় যার মধ্যে তিনি ৩টি সিনেমায় অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছেন এবং ১টি সিনেমায় প্রযোজক হিসেবে। তবে মজার বিষয় হলো গত ৫ বছরে কোনো হিট সিনেমা নেই তার,তবু তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা এখন।২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মার্ডার মিস্ট্রি টু সিনেমায় অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছিলেন স্যান্ডলার।ইউ আর সো নট ইনভাইটেড টু মাই ব্যাট মিটজভা সিনেমায় সহ অভিনেতা হিসেবে কাজ করেছিলেন।এই দুটি সিনেমাই নেটফ্লিক্স- এ মুক্তি পেয়েছিল। নেটফ্লিক্স – এ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ,লিও’তে তিনি কণ্ঠ দিয়েছিলেন। প্রযোজনা করেছিলেন,দ্যা আউট – লজ সিনেমার। ২০২৩ সালে যে সিনেমাগুলোয় তিনি অভিনয় করেছেন সেগুলির প্রায় প্রত্যেকটিতেই তিনি সহ প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছিলেন।স্বাভাবিকভাবেই এই সিনেমাগুলোর রেকর্ড আয়ের একটি বড় অংশ তিনি পেয়েছিলেন।এদিকে গত ৫ বছরে অ্যাডামের একটি সিনেমাও, সিনেমা হলে মুক্তি পায়নি, সবকটি মুক্তি পেয়েছে ডিজিটাল প্লাটফর্মে।মহামারীর পর ২০২৪ সালে অ্যাডাম অভিনীত স্পেসম্যান মুক্তি পেয়েছিল প্রেক্ষাগৃহে, কিন্তু তা বাণিজ্যিকভাবে সফল হয়নি। শেষ অ্যাডাম স্যান্ডলারের কোনো সিনেমা বক্স অফিসে ভালো ব্যবসা করেছে ২০১৯ সালে। ওই বছর মুক্তি পাওয়া ১৯ মিলিয়ন ডলার বাজেটের আনকাট জেমস ছবিটি ৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করে।শেষ ২০০২ সালে মিস্টার ডিডস এবং পাঞ্চ-ড্রাঙ্ক লাভ’সহ বেশ কয়েকটি কমেডি ছবিতে অভিনয় করে ফোর্বসের তালিকায় শীর্ষে উঠেছিলেন অ্যাডাম। ওই বছর তার মোট আয় ছিল ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০০২ সালের পর ২০২৩ সালে এসে আবার শীর্ষ স্থান দখল করেছেন তিনি। ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের তালিকায় অ্যাডাম স্যান্ডলারের পর দ্বিতীয় স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রীর মার্গো রবি।
গত বছর বার্বি তারকার আয় ছিল ৫৯ মিলিয়ন ডলার। তার সহঅভিনেতা রায়ান গসলিংও শীর্ষ পাঁচে আছেন। শীর্ষ পাঁচে আছেন টম ক্রুজ ও ম্যাট ড্যামনও। তাদের প্রত্যেকে ৪০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছেন।








