
দেওয়ালে লেখা সুইসাইড নোটের সূত্র ধরে হালতুতে বাবা-মা এবং ছেলের মত্যুর ঘটনায় আরেক লোন এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযোগ অটোচালক সোমনাথ রায়কে ১০ লাখ টাকা ঋণ পাইয়ে দিতে কমিশন নিয়েছিলেন সোমশুভ্র মণ্ডল। কদিন আগেই হালতুর বাড়ি থেকে সোমনাথ, তাঁর স্ত্রী সুজাতা এবং তাঁদের আড়াই বছরের ছেলে রুদ্রনীলেন দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায় ছেলেকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন সোমনাথ এবং সুজাতা। যে ঘরে তিনজনের দেহ উদ্ধার হয় সেই ঘরের দেওয়ালেই পেন্সিল দিয়ে লেখা সুইসাইড নোট মেলে। তাতে মামা-মামি, লোন এজেন্টদের নাম লেখা ছিল। সেই সূত্রেরই প্রথমে সোমনাথের মামা এবং মামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর দুদিন পর চঞ্চল মুখোপাধ্যায় নামে আরেক লোন এজেন্টকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার সোমশুভ্রকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী অফিসাররা। পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে শুক্রবার রাত ১২টার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা সোমশুভ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমনাথকে একাধিক ঋণ পেতে সাহায্য করেছিলেন এই সোমশুভ্র। একটি ব্যাঙ্ক থেকে ৫ লাখ, অন্য একটি সংস্থা থেকে প্রায় ২ লাখ এবং মোবাইল অ্যাপ এবং আরও একটি সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন। বিনিময়ে কমিশন নিয়েছিলেন সোমশুভ্র।
পুলিশ জানতে পেরেছে ছেলের চিকিৎসার জন্য এই টাকা জোগাড় করেছিলেন সোমনাথ। কিন্তু অটো চালিয়ে এত বিপুল পরিমাণ ঋণের কিস্তি মেটাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন সোমনাথ। এছাড়াও মামা-মামি সঙ্গে সম্পত্তি বিবাদ ছিল।
