
এক দেশ এক ভোট বিল নিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেবে সংসদের যৌথ কমিটি। সূত্রের খবর, এই যৌথ কমিটির মেয়াদ থাকতে পারে ৯০ দিন।
পরে প্রয়োজন হলে তা বৃদ্ধি করা হতে পারে। বিল দু’টিতে কোথাও কোনও সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা বিবেচনা করে দেখবে এই কমিটি। এর পরে বিল দু’টি নিয়ে ভোটাভুটি হবে লোকসভায়। পাশ হলে তা রাজ্যসভায় পাঠানো হবে। সেখানে পাশ হলে, পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতির কাছে। সংসদের এই জাতীয় যৌথ কমিটিতে সর্বাধিক ৩১ জন সদস্য থাকতে পারেন। তার মধ্যে ২১ জনই লোকসভার সদস্য। থাকবেন রাজ্যসভার সদস্যেরাও। যৌথ কমিটিতে কোন দলের কত জন সদস্য থাকবেন, তা নির্ভর করে ওই দলের মোট সাংসদ সংখ্যার উপর। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলিকে তাদের সদস্যদের নাম প্রস্তাব করার কথা বলা হয়েছে। তবে যে হেতু সাংসদ সংখ্যার বিচারে লোকসভায় বিজেপিই একক বৃহত্তম দল, তাই কমিটিতে তাদেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে। কমিটির সভাপতির পদেও বসবেন কোনও এক বিজেপি সাংসদই। এক দেশ এক ভোট নিয়ে ধীর গতিতে এগোতে চাইছে বিজেপি। শুধু কমিটির সদস্য নন, অন্যান্য সাংসদ, দেশের আইনি, সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞ যেমন প্রাক্তন বিচারপতি বা আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের প্রাক্তন সদস্যদের সঙ্গেও এই বিল নিয়ে আলোচনা করতে পারে কেন্দ্র।
এমনকি, বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভার স্পিকারদের মত নেওয়ার পক্ষে কেন্দ্রীয় সরকার। দেশের মানুষ এই বিল নিয়ে কী ভাবছেন, তা-ও শোনা হবে বলে দাবি এক সূত্রের।
