
বালি পাচার মামলায় সোমবার সকালেই কলকাতার বেহালা, সল্টলেক, ঝাড়গ্রাম, নদিয়ার কল্যাণীতে একযোগে অভিযান চালিয়েছে ইডি। সূত্রের খবর, এই প্রথমবার বালি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে ইডি।
কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ ২২টি জায়গায় চলছে তল্লাশি। এদিন ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে শেখ জহিরুল আলির বিশাল তিনতলা বাড়িতে হানা দেয় তদন্তকারী দল। সুবর্ণরেখা নদীর ধারে দাঁড়িয়ে থাকা এই বাড়িটি স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই নদী থেকেই বেআইনি ভাবে বালি তোলা হচ্ছিল। জহিরুল আলি নিজেও বালি কারবারের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বাড়ির পাশাপাশি গাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। একইসঙ্গে বেহালার জেমস লং সরণীর একটি অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে জিডি মাইনিং নামে একটি সংস্থার কার্যালয় রয়েছে। সংস্থাটি বালির সঙ্গে জড়িত এবং এর আরও একটি শাখা বিধাননগর সেক্টর ফাইভে রয়েছে বলে জানা গেছে। ইডি সূত্রে খবর, বালি পাচার ও বেআইনি ব্যবসার অভিযোগ নিয়েই এই অভিযান। কীভাবে এবং কোন কোন জায়গায় অনিয়ম হয়েছে, কীভাবে সরকারি রেটের চেয়ে বেশি দামে বালি বিক্রি করা হয়েছে-সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযানে ইডির মোট চার থেকে পাঁচটি টিম কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অবৈধ বালি খনির কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইডি সম্প্রতি মামলা দায়ের করে।








