
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট নোটিশ আনার কথা ভাবছে বিরোধীরা বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। সংবিধানের ৩২৪-এর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির মতোই ইমপিচমেন্টের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ করা যায়। অগাস্টের শুরুতে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও হরিয়ানায় ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন।
বিশেষত বেঙ্গালুরু সেন্ট্রালের মহাদেবপুরা আসনে বিজেপির জয়ে ১ লক্ষেরও বেশি ভোট জাল করে চুরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে কমিশন ভোটার তালিকা ও তথ্য কারচুপি করেছে। অন্যদিকে, বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি ও বাংলা ভাষাভাষীদের হেনস্থার অভিযোগে সোমবারও সংসদ প্রাঙ্গনে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা।
এর পাশাপাশি বিহারে এসআইআর নিয়ে বিক্ষোভ দেখান ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, সপা সাংসদ অখিলেশ যাদব সহ অন্যান্য সাংসদরা। এদিকে এরাজ্যের শাসক দলের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।








