
পানামা খাল ব্যবহারের ফি কমাতে কিংবা একে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিযোগ, মধ্য আমেরিকার দেশটি আমেরিকার জাহাজ ও অন্য নৌযান থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ আবার নেওয়ার বিষয়ে যে হুমকি দিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো।এর আগে অ্যারিজোনায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, পানামা যে ফি আদায় করছে, তা হাস্যকর, একেবারেই অন্যায্য। তিনি বলেছেন,আমেরিকার দেশের সাথে এই প্রতারণা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলে নেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিংবা দেশটির কোনো নেতার এমন মন্তব্য বিরল।ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ মন্তব্যের জের ধরে দ্রুতই প্রতিক্রিয়া এসেছে পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোর কাছ থেকে। তিনি বলেছেন, এই খাল ও আশেপাশের এলাকার প্রতি বর্গমিটার এলাকা তার দেশের,আমেরিকার নয়। তিনি বলেছেন,পানামার সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা কোন বিতর্কের বিষয় নয়।যদিও পানামা খাল আমেরিকা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে নেবে সে বিষয়ে কিছুই বলেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে এটি একটি ইঙ্গিত দেয় যে আগামী ২০ জানুয়ারি তার শপথ গ্রহণের পর আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনীতির কেমন পরিবর্তন হতে পারে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প একই ধরনের আরেকটি পোস্ট করেছিলেন।সেখানে তিনি লিখেছিলেন,পানামা খাল আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ।







