
আদালত বাকস্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দিলেও কিছু কিছু সময়ে আত্মসংযম বজায় রাখা উচিত। যোগগুরু রামদেবের মামলায় ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন-র সভাপতি ডা. আরভি অশোকানকে ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
পতঞ্জলি সংস্থার বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর দাবি করার অভিযোগে মামলা করেছে আইএমএ। কিন্তু সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন ডা. আরভি অশোকান। এরপরেই মঙ্গলবার বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহর ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে ডা. আরভি অশোকনকে। বেঞ্চ বলেছে, আদালত তাঁর কাছ থেকে আরও বেশি দায়িত্ববোধ আশা করেছিল। আদালতের বিরুদ্ধে এইভাবে ডা. আরভি অশোকান অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন না। ডা. আরভি অশোকানের নিঃশর্ত ক্ষমাও আদালত গ্রহণ করেনি। তাঁর হলফনামায় খুশি নয় বলে জানিয়ে বেঞ্চ তাঁকে সর্বজনীনভাবে ক্ষমা চাইতে বলেছে।শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুসারে এদিন শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন রামদেব এবং বালকৃষ্ণও। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনগুলি প্রত্যাহার করে শপথনামা দাখিল করার জন্য, পতঞ্জলিকে তিন সপ্তাহ সময় দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহর বেঞ্চ বলেছে, রামদেব এবং বালকৃষ্ণকে আর ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।








