
পানামা খাল ফিরিয়ে নেওয়া হবেই। পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোর সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই ঘোষণা করেছে আমেরিকা।
সূত্রের খবর, আটলান্টিক এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী গুরুত্বপূর্ণ জলপথে চিনের বিনিয়োগের বিষয়ে পিট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে পানামা খাল নিয়ে আলোচনা হয় তাঁদের। এই বৈঠকের পর পেন্টাগন প্রধান বলেছেন, পানামা বাহিনীর সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করবে। পিটের কথায়, পানামা এবং আমেরিকা একসঙ্গে চিনের প্রভাব থেকে পানামা খালকে ফিরিয়ে আনবে। তাঁর পরামর্শ, ১৯৯৯ সালের পর আবার পানামার সঙ্গে নতুন চুক্তি পানামা খালে চিনের প্রভাব মুক্ত করবে! পেন্টাগন প্রধান আরও বলেছেন, পানামা খাল তৈরি করেনি চিন। তারা এটা পরিচালনাও করে না। চিনকে এই খাল অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। পানামা প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করে পিট জানান, মুলিনো চিনের হুমকি বুঝতে পেরেছেন। প্রেসিডেন্ট ভোটে জয়ের পরেই পানামা খাল দিয়ে যাওয়া আমেরিকান জাহাজগুলি থেকে অন্যায় ভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মাঝখান দিয়ে প্রশান্ত এবং অতলান্তিক মহাসাগরের সংযোগকারী এই গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিচালনার ক্ষেত্রে চিন প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।








