
ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে অসমের বন্যা পরিস্থিতি। প্রশাসন সূত্রে খবর, রবিবার জলস্তর বেশ খানিকটা কমেছে। বরাক উপত্যাকায় এবং মধ্য অসমের বেশ কিছু জেলা বাদে বাকি জেলাগুলিতে সতর্কতা জারি রয়েছে।
এদিকে, অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ধেমাজি জেলার গোগামুখ রেভিনিউ সার্কেলে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।বারপেটা, কাছাড়, চিরাং, দারাং, ধেমাজি, ধুবরি, ডিব্রুগড়, গোয়ালপাড়া, গোলাঘাট, হাইলাকান্দি, জোড়হাট, কামরুপ, কামরুপ মেট্রোপলিটন, করিমগঞ্জ, মাজুলি, মরিগাঁও, নগাঁও, নলবাড়ি, শিবসাগর এবং দক্ষিণ সালমারা জেলায় ৮ লাখ ৪০ হাজার জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।কাছাড়ে বন্যায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেড় লাখেরও বেশি সাধারাণ মানুষ। ধুবরি, নগাঁওতে যথাক্রমে ১ লাখ ২৭ হাজার এবং ৮৮ হাজার ৫০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।প্রশাসনের তরফে ১৩ জেলায় ২২১টি ত্রাণ শিবির এবং ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বর্তমানে ৭২ হাজারের বেশি সাধারণ মানুষ সেখানে রয়েছেন।অন্যদিকে, নিমাতিঘাট, তেজপুর ও ধুবড়িতে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে ব্রহ্মপুত্র।বর্তমানে অসমজুড়ে ১ হাজার ৭০৫টি গ্রাম জলের নিচে রয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে চাষের জমিও। প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।








