
প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র-র ভুটো চ্যাটে-র তদন্তে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকারের অভিযোগ করেছে কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
কোতোয়ালি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাস জানিয়েছেন ৭ তারিখ সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেন নয়ডা থেকে সুরজিৎ দাশগুপ্ত নামে এক ব্যক্তি তাঁর এবং প্রশান্ত কিশোরের ভুয়ো চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছেন। ডিজিটাল ফরেন্সিক টেস্টে জানা যায় ওই চ্যাটটি ভুয়ো। অভিযুক্তকে থানায় হাজিরা দিতে বললেও তিনি হাজিরা দেননি। এরপর আদালতের নির্দেশে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এরপরেই অভিযুক্তকে ধরতে ৯ তারিখ উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় কোতোয়ালি থানার একজন এসআই, এবং ৩ জন কনস্টেবল স্থানীয় নয়ডা ফেজ ২ থানার সহায়তায় সুরজিৎ দাশগুপ্তর বাড়িতে যান। সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন সুরজিৎ দাশগুপ্ত। অভিযোগ প্রথমে নয়ডা ফেজ ২ থানার পুলিশ সহয়তা করলেও পরে অভিযুক্ত সুরজিৎ দাশগুপ্তকে পালাতে সহায়তা করে। অভিযোগ অমিত নামে কোনও ব্যক্তিকে অভিযুক্ত ফোন কল করার পরেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ অসহাযোগিতা করতে শুরু করে। পরে জানা যায় বিজেপি আইটি সেলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সুরজিৎ দাশগুপ্ত।
কোতোয়ালি থানার তরফে ভিডিও প্রকাশ করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।
