
মাঝ আকাশে রেডার থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল যাত্রীভর্তি বিমান। শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার ওই বিমানটিতে থাকা সমস্ত যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। বিমানে ৪৯ জন যাত্রী এবং ছয় বিমানকর্মী সওয়ার ছিলেন বলে খবর। বিমানটি দেশের পূর্বে অবস্থিত আমুর অঞ্চলে ভেঙে পড়েছে। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি সাইবেরিয়ার আঙ্গারা সংস্থার।
চিন সীমান্ত সংলগ্ন আমুর অঞ্চলের তিন্ডায় অবতরণের কথা ছিল বিমানটির। সেখানেই ভেঙে পড়ে। তিন্ডার গভর্নর ভাসিলি অরলভ জানিয়েছেন, প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, বিমানে যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ শিশুও ছিল। রাশিয়ার জরুরি পরিষেবা মন্ত্রক জানিয়েছে, উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার বিমানটির ধ্বংসাবশেষ দেখতে পেয়েছে। রাশিয়ার বেসমারিক বিমান পরিবহণ সংস্থা রোসাভিৎসিয়ার একটি এমাই-৮ হেলিকপ্টার ধ্বংসাবশেষ দেখতে পেয়েছে। তবে যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে দৃশ্যমানতা কম। তাই উদ্ধারকার্যে বেগ পেতে হতে হচ্ছে। দৃশ্যমানতা কম থাকাতেই বিমানটি ভেঙে পড়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। আমুরে অবতরণের কয়েক কিলোমিটার আগেই বিমানটি দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয়। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ফুটেজ সামনে এসেছে, তাতে জঙ্গলের মধ্যে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। ধোঁয়া বেরোচ্ছে ধ্বংসাবশেষ থেকে। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকার্যের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
আমুর প্রশাসন জানিয়েছে, উদ্ধারকার্য চালাতে কোনও খামতি রাখা হবে না। এর আগেই চলতি সপ্তাহে ঢাকার উত্তরায় প্রশিক্ষণের বিমান ভেঙে পড়ে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭০-র অধিক। পাশাপাশি আমেদাবাদ’ও এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ে বহুজনের মৃত্যু হয়েছিল।
