বিয়ের আগে প্লেবয় রাম কপুর!

0
20
ছবি সৌজন্যে :  রিপ্রেসেন্টেশনাল

টেলিভিশন অভিনেতা রাম কপুর অকপটে স্বীকার করেছেন যে বিয়ের আগে তিনি রীতিমতো প্লেবয় জীবনযাপন করতেন এবং তার এত বেশি প্রেমের সম্পর্ক ছিল যা গুনে শেষ করা সম্ভব নয়।

সম্প্রতি একটি রিয়্যালিটি শো-এর মঞ্চে সহ-প্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার এক প্রশ্নের জবাবে নিজের অতীত জীবন নিয়ে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ,বড়ে আচ্ছে লাগতে হ্যায় খ্যাত অভিনেতা রাম কপুর। তবে অতীত যা-ই হোক না কেন, ২০০৩ সালে অভিনেত্রী গৌতমী কাপুরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর নিজের জীবন সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাম জোর দিয়ে বলেন, বিয়ের পর গত দু’ দশকে তিনি একটি বারের জন্যও অন্য কোনো সম্পর্কে জড়াননি।অতীতের এই খতিয়ান দিতে গিয়ে রাম কাপুর একটি মজার স্মৃতিও রোমন্থন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাদের বিয়ের আগে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা বিখ্যাত প্রযোজক একতা কাপুর স্বয়ং গৌতমীকে ফোন করে রামের রঙিন অতীত নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। একতা বেশ চিন্তিত হয়ে গৌতমীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তিনি জেনেবুঝে কেন এমন একজন মানুষকে বিয়ে করছেন যার এত মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। একতার এই ভূমিকাকে সম্পূর্ণ সঠিক উল্লেখ করে রাম বলেছেন, বন্ধু হিসেবে একতা সেদিন গৌতমীর জন্য চিন্তিত হয়ে যা করেছিলেন তা একদম ঠিক ছিল, কারণ সে সময় তিনি আসলেই তেমন স্বভাবের পুরুষ ছিলেন।উল্লেখ্য,২০০০ সালে ঘর এক মন্দির ধারাবাহিকের সেটে রাম ও গৌতমীর প্রথম দেখা হয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব এবং পরে প্রেম। প্রায় তিন বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০০৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে তারা বিয়ে করেন। বর্তমানে এই তারকা দম্পতি সিয়া ও আক্স নামের দুই সন্তানের জনক-জননী। দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনে পারস্পরিক বিশ্বাসই তাদের মূল ভিত্তি বলে জানিয়েছেন রাম।একই অনুষ্ঠানে অনস্ক্রিন চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, এমন এক প্রশ্নেরও মুখোমুখি হন রাম কাপুর। সহ-অভিনেত্রী সাক্ষী তানওয়ারের সঙ্গে তার বহুল আলোচিত চুম্বনের দৃশ্যটির কথা স্মরণ করে তিনি বলেছেন, গৌতমী মোটেও এতে রেগে যাননি, বরং তিনি বেশ রোমাঞ্চিত ছিলেন। ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসে অন্যতম প্রথম অনস্ক্রিন চুম্বনের অংশ হওয়ায় গৌতমী তাকে নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছিলেন।

রামের মতে, একজন অভিনেতার দায়িত্ব হলো তার স্ত্রীকে বাস্তব জীবনে এতটাই নিরাপদ ও ভালোবাসায় রাখা, যাতে পেশাগত কারণে করা কোনো দৃশ্য বৈবাহিক জীবনে নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়।