
আর মাত্র ক’দিন পরই বিদায় নেবে ২০২৪।আর ইতিমধ্যেই ২০২৫ সালের বিদেশ নীতি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এই সপ্তাহেই আমেরিকায় গিয়েছেন।
এদিকে খবর, নতুন বছরে ভারতে আসতে পারেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেতে পারেন আমেরিকায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে সম্ভাবনা, চিনে এসসিও সামিটে যোগ দিতে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেই সময় দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি বৈঠক করতে পারেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে।
এর মধ্যে ২০২৫-এর গোড়াতেই,জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফের প্রবেশ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার আগেই আমেরিকা সফরে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। ট্রাম্পের টিমের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। সেই সঙ্গেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভারতে আসার আমন্ত্রণও জানাবেন। উল্লেখ্য ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা কোয়াড সম্মেলনে যোগ দিতে রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প-র আসার কথা ভারতে। সেই সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরে যাওয়ার কথাও রয়েছে।পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে বার্ষিক সম্মেলনও হওয়ার কথা নয়াদিল্লিতে।যদি সেটা হয়, তাহলে এবার যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ায় গিয়েছিলেন, সেভাবেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও আসবেন ভারত সফরে। যদি তাই হয়, তাহলে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরুর পর এই প্রথম তিনি এদেশে আসবেন।এছাড়াও এবার চিনের এসসিও সামিটের মতোই সকলের চোখ থাকবে ব্রাজিলে হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনের দিকেও।
এখনো পর্যন্ত খবর,২০২৫ সালের শুরুতেই যে রাষ্ট্রপ্রধান ভারতে আসবেন তিনি থরমন শানমুগারাথাম। জানুয়ারির মাঝামাঝিই এদেশে আসবেন সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট। এরপর ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তো জোজোহাদিকোসুমো, চিলির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বরিস ফন্টও ভারতে আসার কথা।এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমেরিকা, চিন ছাড়াও ফ্রান্সে যেতে পারেন। যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জাপানেও।পাশাপাশি জি২০ সামিটে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আসিয়ান সামিটে যোগ দিতে মালয়েশিয়াও যাওয়ার কথা তাঁর।
সব মিলিয়ে, ২০২৫-এ বিশ্ব কূটনীতির কেন্দ্রেই থাকবে ভারত।








