
কাশ্মীরে জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে কেউ নিজের ভাইকে, কেউ স্বামী বা সন্তানকে হারিয়েছেন। ২৬ টি তরতাজা প্রাণ ঝরে পড়ায় নাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৩ ব্যক্তিরও।
স্বর্গরাজ্যে ঘুরতে গিয়ে শেষবারের মতো কফিনবন্দী হয়ে ফিরতে হয়েছে বাংলার বিতান অধিকারী, মনীশ রঞ্জন, সমীর গুহকে। ঘটনাচক্রে প্রধানমন্ত্রী যখন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করছেন তখন শুরুতেই তাঁর কথায় উঠে আসে বাংলার নাম। তিনি বলেছেন, নিহতদের কেউ বাংলায়, মারাঠি, গুজরাটি, কেউ বা কন্নড় ভাষায় কথা বলতেন। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সবার একটাই দাবি, ওই হামলায় দোষী এবং ষড়যন্ত্রীদের সন্ত্রাসবাদীদের মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার হুঙ্কার দিয়ে তাঁর দাবি গোটা ভারতবাসী আজ এক হয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে প্রস্তুত।
বিহারের মধুবনিতে জনসভায় নিজের ভাষণ শুরুর পূর্বে সকলের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নীরবতা পালন এবং প্রণাম জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দর্শকাসনে বসে থাকা প্রত্যেকে নীরবতা পালন করে শোকজ্ঞাপন করেন।






