
মালদহের চাঁচলে মহিলাকে খুন করে জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্তকে চলন্ত রাধিকাপুর ট্রেন থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃতদেহের পাশ থেকে পাওয়া আধার কার্ডের সূত্র ধরে মহিলার পরিচয়ও জানতে পেরেছে পুলিশ।
মৃত মহিলার বাড়ি চাঁচলে, শ্বশুরবাড়ি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। তাঁর দুই ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। পুলিশের সন্দেহ অভিযুক্ত আবু তালেবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মহিলা। সম্পর্কের টানাপোড়েনে সম্ভবত খুন হতে পারেন তিনি। সামসি স্টেশনে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখার পর মহিলা খুনে অভিযুক্ত আবু তালেবকে শনাক্ত করে পুলিশ। এরপরেই নবদ্বীপে চলন্ত রাধিকাপুর এক্সপ্রেস থেকে কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা আবু তালেবকে গ্রেফতার করে কাটোয়া থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার কালিয়াগঞ্জ থেকে চাঁচলে আসেন নিহত মহিলা। এরপর চাঁচলের আমবাগান থেকে মহিলার দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। শনিবার ভোরে কাটোয়া থানার পুলিশের কাছে খবর যায় চাঁচলে খুনে অভিযুক্ত রাধিকাপুর এক্সপ্রেসে করে ভিনরাজ্যে পালানোর চেষ্টা করছে। এরপরেই অভিযানে নামে পুলিশ। এরপর কাটোয়া থানার পুলিশ যখন স্টেশনে পৌঁছয় তখন ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে।
এরপর চলন্ত রাধিকাপুর এক্সপ্রেস থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত আবু তালেবকে। এদিকে শনিবার ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক টিম। এদিকে মায়ের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছে মহিলার ছেলে। অভিযুক্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছে মৃতের ছেলে।
