রেজিস্টার বুক না থাকায় তথ্য নেই শ্রমিকদের, দাবি পুলিশের

0
20
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব

তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউনে কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন তার সঠিক কোনও হিসেব নেই। লালবাজার থেকে সাংবাদিক বৈঠকে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কুণাল আগরওয়াল।

তাঁর দাবি গুদামে কর্মরত শ্রমিকদের উপস্থিতির হিসেব রাখা হত না। কোনও রেজিস্টার ছিল না। তাই এখনও ধ্বংসস্তূপের ভিতর কতজন আটকে আছেন, তার সঠিক হিসেব নেই। তিনি জানিয়েছেন ইতিমধ্যে ডিসিডিডি-র নেতৃত্বে ৫ সদস্যের সিট গঠন করা হয়েছে। তারাতলাকাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল পুলিশ। ৫ জনের নাম ছিল এফআইআর-এ। তাঁদের মধ্যে প্রধান ঠিকাদার আসগর হুসেনের দেহ ধ্বংসস্তূপ থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকালে। বাকি এফআইআর-এ নাম থাকা চারজনকে পুলিশ গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অয়ন ট্রেডার্সের বিল্ডিং সুপারভাইজার মহম্মদ গুলজার। কলকাতা বন্দরের জমি লিজ নিয়ে সেখানে গুদাম তৈরি করছিল, সেই বেহরা ব্রাদার্সের মালিক শম্ভুনাথ বেহরাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। শম্ভুনাথের স্ত্রী কোম্পানির অন্যতম অংশীদার বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে লোহার কাঠামো প্রস্তুতকারক কমল সামন্ত, শ্রমিক সরবরাহকারী দিবাকর ভাণ্ডারিকে। ধৃত গুলজার এবং মৃত ঠিকাদার আসগরের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অপরাধের অভিযোগ ছিল। একবালপুরের একটি মারপিটের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল গুলজারের।

আসগরের বিরুদ্ধে দুটি মামলা ছিল। তারাতলায় একধিক দল কাজ করেছে। জেরার একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। যাঁরা বেঁচে রয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ফোনও খতিয়ে দেখা হবে।