পাসপোর্টকাণ্ডে এবার গ্রেফতার হোমগার্ড

0
198
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব
বাবা মহুরি, ছেলে কনস্টেবল। পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে সমীর দাসের গ্রেফতারির পর অবাক তদন্তকারী অফিসাররা।
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে সমীর দাসের এক ছেলে কনস্টেবল, অন্য ছেলে ডেন্টিস্ট। করোনাকালের পরবর্তী সময়ে সমীর দাসের জাল নথির কারবারের রমরমা হয়েছিল। এক বছরের মধ্যে একতলা সাধারণ বাড়ি হয়ে যায় চারতলা প্রাসাদোপম অট্টালিকা। বারাসত আদালতে মুহুরির কাজ করার সুবাধে ঝুঁকি এড়াতে আদালতের হলফনামা দিয়েই জাল নথি তৈরি করতেন সমীর। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিজের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে, নিজের ঠিকানা ব্যবহার করে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে দিতেন সমীর। বছর ঘুরতেই সেই বাড়িকেই অট্টালিকা বানিয়েছেন সমীর। পাসপোর্টকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত সমীর দাসের দুই সহযোগী কৌশিক মণ্ডল এবং চন্দন চক্রবর্তীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে কৌশিক মণ্ডলের বাড়ি বারাসতের চৈতন্যনগরে। বারাসতের চাঁদুর মোড়ে শীতলাতলা রোডে একটি দোকান ছিল তাঁর। সেখানেই আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড সংশোধনের কাজ হত। তিন বছর ধরে কারবার চালাচ্ছিলেন কৌশিক। দীর্ঘদিন ধরেই সমীর দাস এবং তাঁর সহযোগীরা এই জাল নথির কারবার রমরমিয়ে চালাচ্ছিলেন। তদন্তে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে জাল নথি তৈরি করতে একেবারে রেটচার্ট বেঁধে দিয়েছিলেন সমীর দাস। এদিকে পাসপোর্ট জালিয়াতিকাণ্ডে প্রাক্তন এসআই-র পর এবার গ্রেফতার ট্রাফিকের হোমগার্ড। একই আধার নম্বর দিয়ে বারবার পার্সপোর্টের আবেদন করায় সন্দেহ হতেই তদন্তে নামে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ।
এরপরেই চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক হোমগার্ড চাঁপদানির বাসিন্দা মহম্মদ ইমরান এবং আরও দুই দালাল তারকেশ্বরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং শ্রীরামপুরের বাসিন্দা মোহন সাউকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারী অফিসারদের দাবি নকল নথি দিয়েই পাসপোর্ট তৈরি করে দিত অভিযুক্তরা।